1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

দেশের জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে সিসিইউ চালুর মাধ্যমে রোগীর মৃত্যুহার কমানো সম্ভব: ডা. জুবাইদা রহমান

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ডেস্ক

দেশের জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) চালু করা গেলে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান। বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন আয়োজিত জাতীয় কনফারেন্সে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাতের চিকিৎসাসেবা উন্নতকরণ ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

কনফারেন্সে ডা. জুবাইদা রহমান দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জরুরি চিকিৎসাসেবার সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) রাজধানী কেন্দ্রিক। এর ফলে গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলের সাধারণ মানুষ জরুরি মুহূর্তে উন্নত এবং জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিগত সময়ে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ায় দেশের হাসপাতালগুলোর ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্যবস্থার আশানুরূপ উন্নয়ন ঘটেনি, যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সঠিক ও সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে এই ইউনিটের পরিসর বাড়ানো গেলে অকাল মৃত্যুহার প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার সামগ্রিক সম্প্রসারণ এবং কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং চলতি মাস থেকেই দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকদের সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত করতে আনসার বাহিনী মোতায়েনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

কনফারেন্সে দেশের স্বাস্থ্য খাতের বাজেট বরাদ্দ ও অগ্রাধিকার নিয়ে কথা বলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, দেশের ৫৬ বছরের ইতিহাসে স্বাস্থ্য খাতে চলতি অর্থবছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং বাজেটের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার মান প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য খাতের প্রতিনিধিরা দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সেবার মানোন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সব পক্ষের সমন্বিত সহযোগিতার ওপর বিশেষ জোর দেন। বক্তারা বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, বরং দক্ষ জনবল তৈরি এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়াই এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। জেলা পর্যায়ে সিসিইউর মতো জরুরি সেবা চালু হলে রাজধানীর ওপর রোগীর অতিরিক্ত চাপ যেমন কমবে, তেমনি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও নিজ এলাকাতেই উন্নত চিকিৎসা লাভ করতে পারবেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026