1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে শিশুদের সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৩১ হাজার ৯৮ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ পাস: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের বিতর্ক ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে, সুরক্ষায় বসছে ১২ লাখ পানির উৎস বিটাকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে সক্ষম: শিল্পমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করার তাগিদ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগামীকাল ব্যাংক হলিডে: বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান মোহাম্মদ আকবারজাদেহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন চালু হাছান মাহমুদ ও নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে, সুরক্ষায় বসছে ১২ লাখ পানির উৎস

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

সংসদ সংবাদ ডেস্ক

দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ শতাংশ মানুষ বর্তমানে আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী। তবে এই ঝুঁকি নিরসনে সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে আর্সেনিক ঝুঁকির এই হার ৫ থেকে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এই তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মন্ত্রী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)-এর যৌথ জরিপ প্রতিবেদন ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯’ এর সূত্র উল্লেখ করে দেশের আর্সেনিক পরিস্থিতির এই চিত্র তুলে ধরেন।

সংসদকে জানানো হয়, আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে দেশের গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে সারা দেশে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ পানির উৎস স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে কেবল গভীর নলকূপ স্থাপনের মধ্যেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি, বরং পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রযুক্তি এবং পুকুর খনন ও পুনঃখননসহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার (পিএসএফ) স্থাপন করা হচ্ছে। বহুমুখী এই উদ্যোগের ফলে দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ পানির সুবিধার আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত তথ্যানুযায়ী, নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্প সমাপ্ত ও বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এর মধ্যে ‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প’-এর আওতায় এ পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও ভৌগোলিক কারণে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে আরও ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি উৎস তৈরি করা হয়েছে।

এ ছাড়া, সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ‘পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্প’-এর মাধ্যমে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি এবং ‘পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্প’-এর আওতায় ৮৮ হাজার ২৩৫টি নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি ‘অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্প’-এর মাধ্যমে আরও ১ লাখ ৩৮ হাজার ০৫টি পানির উৎস সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী দীর্ঘ সময় ধরে আর্সেনিক ঝুঁকির মধ্যে থাকায় জনস্বাস্থ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং বিকল্প উৎসের অভাবের কারণে এই সমস্যা দীর্ঘায়িত হয়েছে। সরকারের এই সমন্বিত প্রকল্পসমূহ সময়মতো বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ ও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাবে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026