1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সমুদ্রসম্পদ আহরণ ও নৌপথের আধুনিকায়নে সক্ষমতা বাড়ানোর জোর তাগিদ তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন, ডিএসইতে লেনদেন কমলেও সিএসইতে বেড়েছে দেশের বাজারে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার পার মায়ের জন্য অ্যাম্বুলেন্স না পেলেও প্রতিশোধ চাই না: প্রধানমন্ত্রীর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ইসরায়েল, দাবি দেশটির সিংহভাগ নাগরিকের ২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ৩২ নিশ্চিতের লক্ষ্যে আজ ইরাকের মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার; ২০২৭ সালের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: শ্রমবাজার ও বাণিজ্য প্রসারে জোর

সমুদ্রসম্পদ আহরণ ও নৌপথের আধুনিকায়নে সক্ষমতা বাড়ানোর জোর তাগিদ

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ডেস্ক

সমুদ্র ও নৌ-পথের বিশাল সম্ভাবনাকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করার তাগিদ দিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, উপকূলীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এই খাতে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি অর্জনের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

সোমবার সকালে রাজধানীর খিলখেতে বানৌজা হাজী মহসীনে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী আয়োজিত ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে নৌ-পরিবহন খাতের উন্নয়ন, সমুদ্রের খনিজসম্পদ আহরণ এবং দেশের নৌপথগুলোর আধুনিকায়নে হাইড্রোগ্রাফির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সমুদ্রসীমা অর্জনের পরবর্তী সময়ে খনিজসম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশাল সমুদ্রসীমা লাভ করলেও বিগত বছরগুলোতে সঠিক সিদ্ধান্ত ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে সমুদ্রের তলদেশের বিপুল খনিজসম্পদ উত্তোলনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়নি। যেখানে প্রতিবেশী দেশগুলো নিজ নিজ সমুদ্রসীমায় জ্বালানি অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম জোরদার করেছে, সেখানে বাংলাদেশ এই খাতের সম্ভাবনার পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

সমুদ্রসম্পদ, বিশেষ করে জ্বালানি খাতের অমিত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সমুদ্রে ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতির যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা নিশ্চিত সম্পদ। বর্তমান সরকার এই সম্পদকে দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগাতে নীতিগতভাবে অফশোর এলাকায় নতুন কূপ অনুসন্ধান, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং পরবর্তীতে তা উত্তোলনের জন্য সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে আধুনিক প্রযুক্তির সংস্থান করা হচ্ছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নৌযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে হাইড্রোগ্রাফির ভূমিকার কথা উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ রয়েছে। এই বিশাল নৌপথকে সঠিকভাবে ব্যবহার ও নিয়মিত নাব্য রক্ষা করা গেলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন এবং নৌযোগাযোগ আরো নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব হবে। সমুদ্র ও অভ্যন্তরীণ নদীপথের নিখুঁত মানচিত্র তৈরি এবং নৌপথ সচল রাখতে হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের ধারাবাহিক কার্যক্রম চলছে বলে তিনি জানান।

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব তুলে ধরে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক পরিচালিত হয়। ফলে দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্য সচল রাখতে এই বন্দরের নিরাপত্তা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। এই বন্দর দিয়ে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন করতে আধুনিক নেভিগেশনাল সুবিধা নিশ্চিত করার কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকলেও বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী বন্দরের সক্ষমতা আরও বিস্তৃত ও প্রসারিত করা হচ্ছে।

সেমিনারে নৌ-বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, হাইড্রোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং আধুনিক নৌ-অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026