1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ ও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনে বায়তুল মোকাররমে শুরু হচ্ছে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান রাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে অস্ত্র, মাদকসহ গ্রেফতার ৪৪০ চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলা: খলনায়ক ডনের সাত দিনের রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য বিএনপি’র নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব জোরদারে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে ‘উত্তরাধিকার’ অ্যালবাম নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে

সুযোগ হারিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় তুরস্কের, আর্দা গুলেরের দুঃখ প্রকাশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ৪৪ বার দেখা হয়েছে

খেলাধূলা ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে আধিপত্য বিস্তার করে খেলেও গোল করতে না পারার চরম ব্যর্থতায় বিদায় নিয়েছে তুরস্ক। দুই ম্যাচে প্রতিপক্ষের গোলমুখে মোট ৬২টি শট নিয়েও কোনো গোলের দেখা পায়নি দলটি। এমন পারফরম্যান্সের পর দেশের মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তুর্কি ফরোয়ার্ড আর্দা গুলের। সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে না পারার এই ব্যর্থতাকে হতাশাজনক ও লজ্জাজনক বলে আখ্যায়িত করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা ফুটবলার।

টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ গোল ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয় তুরস্কের। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল তারা। সেই ম্যাচেও ২-০ গোল ব্যবধানে পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল তুর্কিদের। পর পর দুই ম্যাচে কোনো পয়েন্ট না পাওয়ায় টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব থেকেই আসর শেষ করতে হলো দলটিকে।

ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের ও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে তীব্র হতাশা ব্যক্ত করেন আর্দা গুলের। তিনি জানান, দলের এমন পারফরম্যান্সে ফুটবলারদের পাশাপাশি দেশের সাধারণ সমর্থকরাও গভীরভাবে হতাশ। দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় ক্ষমা চেয়ে গুলের বলেন, বিশ্বের বড় বড় ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত দল থেকে এই ধরনের ফলাফল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালীভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

ম্যাচের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে তুরস্কের আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চিত্র স্পষ্ট হয়। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৬৩ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল তুরস্ক। সেই ম্যাচে তারা প্রতিপক্ষের গোল লক্ষ্য করে মোট ২৮টি শট নেয়, যার মধ্যে ৭টি শট ছিল অন-টার্গেট বা গোলপোস্টের ভেতরে। দ্বিতীয় ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে বল দখলের লড়াইয়ে আরও এগিয়ে ছিল তুর্কিরা। পুরো ম্যাচের ৭৮ শতাংশ সময় বল ছিল তাদের পায়ে। এই ম্যাচে তারা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ৩৪টি শট চালায়, যার মধ্যে মাত্র ৬টি শট লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৬২টি শট নিলেও ফরোয়ার্ডদের ফিনিশিং দুর্বলতার কারণে একটিও গোল আসেনি।

প্যারাগুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচটিতে তুরস্কের সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর বড় সুযোগ তৈরি হয়েছিল। ম্যাচের প্রথমার্ধেই এক গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর প্যারাগুয়ের একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ফলে পুরো দ্বিতীয়ার্ধ প্যারাগুয়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয়। একজন খেলোয়াড় বেশি থাকার সুবিধা এবং মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে থাকার পরও প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি তুরস্কের আক্রমণভাগ।

ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, পুরো ম্যাচে কৌশলগত আধিপত্য এবং বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলেও কেবল স্ট্রাইকারদের গোল করার দক্ষতার অভাবে তুরস্ককে এই পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে। আধুনিক ফুটবলে শুধু বলের দখল রাখা কিংবা শট নেওয়ার চেয়ে সুযোগগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগানোই যে মূল চাবিকাঠি, তুরস্কের এই বিদায় তা আবারও প্রমাণ করল। এই হারের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তুরস্কের সাম্প্রতিক কৌশল ও খেলোয়াড়দের ফর্ম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026