1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
নেইমারের ‘হোম অফিস’ নিয়ে প্রেসিডেন্ট লুলার রসিকতা, ব্রাজিলে নতুন বিতর্ক সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৬৭৭ ফলদ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে গাইবান্ধায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত টাঙ্গাইলের বাসাইলে সরকারি কৃষি প্রণোদনা বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সুযোগ হারিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় তুরস্কের, আর্দা গুলেরের দুঃখ প্রকাশ হিউস্টনে গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য: মার্কিন সফর বাতিল করলেন ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশান্ত মহাসাগরে দুই জাহাজে সাড়ে ১৬ কোটি ডলারের কোকেন জব্দ, গ্রেফতার ৬ আওয়ামী লীগ একটি মাফিয়া পার্টি, তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মরক্কো ম্যাচ ভুলে ব্রাজিলের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে চায় স্কটল্যান্ড

সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৬৭৭

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২০ জুন পর্যন্ত দেশে হাম এবং হামের সদৃশ উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭৭ জনে। এর মধ্যে ৯৩ জন ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হামের রোগী হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে এবং বাকি ৫৮৪ জন হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত নিয়মিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে আরও ৮০৭ জন শিশুর শরীরে হামের লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা গেছে। একই সময়ে নতুন করে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় আরও ৮০ জনের শরীরে নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে। তবে এই ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের মধ্যে হাম এবং হামের মতো লক্ষণযুক্ত ভাইরাসের প্রকোপ আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং তীব্র বায়ুবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত আক্রান্ত শিশুর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। সঠিক সময়ে প্রতিষেধক টিকা না নেওয়া এবং অপুষ্টির শিকার শিশুরা এই রোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে তীব্র জ্বর, শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ ওঠা, সর্দি, কাশি এবং চোখ লাল হওয়ার মতো প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেয়। সঠিক চিকিৎসা ও যত্নের অভাব হলে এটি পরবর্তীতে নিউমোনিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া, পুষ্টিহীনতা এবং মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা তৈরি করে, যা শিশুর মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

কন্ট্রোল রুমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিশেষ নজরদারি সেল গঠন করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইসোলেশন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সাথে আক্রান্ত এলাকার শিশুদের জন্য সম্পূরক পুষ্টি এবং ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যা হামের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

জনস্বাস্থ্যবিদদের মতে, দেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় শিশুদের নিয়মিত হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা হলেও কিছু দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকায় টিকাদানের হার কাঙ্ক্ষিত মাত্রার চেয়ে কম হওয়ায় এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি যেসব শিশু নিয়মিত ডোজ থেকে বাদ পড়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে টিকার আওতায় আনা জরুরি। একই সাথে, শিশুদের সুরক্ষায় অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026