শিক্ষা প্রতিবেদক
দেশের চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন পাঁচজনকে উপ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শূন্য ও স্থলাভিষিক্ত পদে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শূন্য থাকা উপ-উপাচার্য পদে দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শূন্য উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) পদে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইলিয়াস সিদ্দিকী। এ ছাড়া নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য পদে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ফার্মেসি বিভাগের ডিন অধ্যাপক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজুয়ানুল হককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাঁর মূল পদে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও প্রশাসন—দুইটি উপ-উপাচার্য পদেই পরিবর্তন আনা হয়েছে। চবির উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) পদে বিশ্ববিদ্যালয়টির বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আল আমিন এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) পদে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. সফিকুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক সফিকুল ইসলাম এর আগে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। একই সাথে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল উদ্দিনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিজ নিজ মূল পদে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এসব প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উপ-উপাচার্য পদে তাঁদের এ নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর হবে। তবে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শর্ত সাপেক্ষে তাঁরা নিয়মিত চাকরির বয়সপূর্তিতে মূল পদে প্রত্যাবর্তনপূর্বক অবসরগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদন শেষে মেয়াদের অবশিষ্টাংশ পূর্ণ করবেন। উপাচার্য অনুপস্থিত থাকলে তাঁরা সাময়িকভাবে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা প্রাপ্য হবেন। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।