1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট আক্রান্ত ৮২ হাজার ছাড়াল উপজেলা হাসপাতাল ১০১ বেডে উন্নীত ও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর চার বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন পাঁচ উপ-উপাচার্য নিয়োগ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যই মানবজাতির সবচেয়ে বড় শক্তি: সংস্কৃতিমন্ত্রী রিয়াল মাদ্রিদে কোচের বিদায়, আলভারেজকে পেতে ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ছয় নবজাতকের মৃত্যু: আদ-দ্বীন হাসপাতালের জবাবে অসন্তুষ্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কৃতিভিত্তিক পাঠ্যক্রম: আগামী ৫ বছরে ৬০ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা সরকারের সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ইউনিসেফ থেকে হামের টিকা ক্রয়ের সিদ্ধান্ত ডেঙ্গু মোকাবিলায় চিকিৎসকদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কৃতিভিত্তিক পাঠ্যক্রম: আগামী ৫ বছরে ৬০ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাথমিক শিক্ষায় শিল্প ও সংস্কৃতিভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দেশের সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে উচ্চশিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে এই খাতের পেশাজীবীদের জন্য একটি টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে বা পেশাগত উন্নয়নের পথ তৈরি হবে বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও সাংস্কৃতিক শিক্ষার সম্প্রসারণ, নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন এবং দক্ষ শিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং ঘোষিত শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক নাগরিক (গ্লোবাল সিটিজেন) হিসেবে গড়ে তোলা, যাতে তারা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও সম্প্রসারণ করার ফলে ভবিষ্যতে মাঠপর্যায়ে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এই চাহিদা পূরণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে পাস করা দক্ষ গ্র্যাজুয়েটদের কাজে লাগানো হবে, যা দেশের বেকারত্ব দূরীকরণে বড় ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষা খাত সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীরা যাতে ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি কীভাবে যুক্ত করা যায় এবং যৌথভাবে কীভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায়, সেসব বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু প্রথাগত সহশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে না রেখে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও সামগ্রিক বিকাশের একটি মূল অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

মতবিনিময় সভায় নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ও রূপরেখা তুলে ধরা হয়। সভায় জানানো হয়, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ বিষয়ক নতুন পাঠ্যবই চালু করা হবে। এই বইটির চারটি প্রধান অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পরবর্তীতে ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের আওতায় এসব বিষয়কে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় পুরোপুরি যুক্ত করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দেশের ২৪টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষাবিদ এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিক স্তরে এই রূপান্তর সফল করতে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন এবং যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরির ওপর জোর দেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026