অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয় দফায় হ্রাস পেয়েছে মূল্যবান ধাতু সোনার দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমায় দেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই মূল্য নির্ধারণ করেছে। পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন এই মূল্যতালিকা ইতিমধ্যে কার্যকর হয়েছে এবং বর্তমান বাজারে এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।
বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব ধরনের সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার সরবরাহ ও চাহিদা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বাজুস সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, বিয়ের মৌসুম ও উৎসব-পরবর্তী সময়ে এই মূল্যহ্রাস অভ্যন্তরীণ বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এর আগে গত ২ জুন প্রথম দফায় সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৪ thousand ৮৫৫ টাকা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই দফায় বড় অঙ্কের মূল্যহ্রাস দেশের স্বর্ণ শিল্পে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে বলে আশা করছেন খাত সংশ্লিষ্ট অর্থনীতিবিদরা। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ডলারের বিনিময় হারের ওপর নির্ভর করে আগামী দিনগুলোতে এই দাম আরও সমন্বিত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।