1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৩.৬৫ লাখ মেট্রিক টন সার ও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লর্ডস টেস্টের স্কোয়াড থেকে ব্রাইডন কার্স বাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ফোনালাপ ও তেহরান সফর রাজধানীর কলাবাগান থানায় নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার খেলার মাঠের বাইরে ইউরোপীয় ফুটবলের করপোরেট লড়াই ও ব্র্যান্ড মূল্যের শীর্ষস্থান ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ জোরালো করার পাশাপাশি সামরিক বিকল্পও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র বায়তুল মোকাররমে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান

সার্বজনীন কল্যাণের লক্ষ্যে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৪৫ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

দেশের প্রতিটি নাগরিকের সুযোগ-সুবিধা ও জীবনযাত্রার মান বিবেচনা করে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক কাঠামো দাঁড় করাতেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগদানের পূর্বে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

চলতি সপ্তাহের আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের এই প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের কথা রয়েছে। এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য একদিকে যেমন করছাড় ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অব্যাহতির মাধ্যমে দেশীয় শিল্প ও উৎপাদন খাতকে শক্তিশালী করা, অন্যদিকে শুল্ক ও কর বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানিনির্ভর ও বিলাসী পণ্যের লাগাম টানা। সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দিতে সরকার এই দ্বিবিধ নীতি গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অর্থনৈতিক প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি। এই মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয়টি এবারের বাজেটে কীভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের সীমিত সম্পদের তুলনায় বাজেটে দেশের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সংকটগুলোকে বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও কোনো জনগোষ্ঠীকে বাজেটের সুফল থেকে বঞ্চিত রাখা হবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নতুন করনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশীয় পণ্যের অভ্যন্তরীণ বাজার সম্প্রসারণ করা, স্থানীয় শিল্পকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় হ্রাস করা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আসন্ন বাজেটে কয়েকটি নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক, ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আরোপ কিংবা বিদ্যমান করহার বাড়ানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর ফলে নতুন অর্থবছরের শুরু থেকেই বাজারে কিছু নির্দিষ্ট আমদানিনির্ভর ও বিলাসী পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের এই সন্ধিক্ষণে দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা সরকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। বিশেষ করে বিলাসী পণ্যের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপের মাধ্যমে একদিকে যেমন অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে করছাড়ের সুবিধা যেন সাধারণ ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করাই হবে আগামী অর্থবছরের মূল চ্যালেঞ্জ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026