1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সরকার ও দলে ভারসাম্য আনতে বিএনপিতে ‘এক নেতা এক পদ’ নীতি কার্যকরের উদ্যোগ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে কর্মমুখী ও দক্ষতানির্ভর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পরিকল্পনা বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদার করার উদ্যোগ পল্লবীর রামিসা হত্যা মামলার রায় ৩ মাসের মধ্যে কার্যকরের আশা ঈদুল আজহায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জনের মৃত্যু, বেড়েছে প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা মিরপুরে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় দম্পতির মৃত্যুদণ্ড, রায়কে মাইলফলক ঘোষণা কক্সবাজারে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান আসামি গ্রেফতার উচ্চশিক্ষা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ থেকে অব্যাহতির দাবি সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল হাসানের উচ্চশিক্ষা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঈদুল আজহায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জনের মৃত্যু, বেড়েছে প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনকালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ও প্রাণহানি উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদকেন্দ্রিক যাতায়াতের ১৫ দিনে সারা দেশে ৩৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জন নিহত এবং ১ হাজার ২৯৪ জন আহত হয়েছেন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক পরিসংখ্যান প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। একই সময়ে সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে মোট ৪৪২টি দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জন নিহত এবং ১ হাজার ৩৪০ জন আহত হয়েছেন। বিগত বছরের তুলনায় এবার সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

রবিবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। গত ঈদুল আজহার তুলনায় এবার সড়ক দুর্ঘটনা ৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৩ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়েছে। বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রায় সড়কে বিশৃঙ্খলা এবং দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেলের মাধ্যমে। ১৫ দিনে দেশে মোট ১৫৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা নিবন্ধিত হয়েছে, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এসব দুর্ঘটনায় ১৫৯ জন নিহত এবং ৮৩ জন আহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ। মহাসড়কে মোটরসাইকেলের অবাধ চলাচল এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা এই বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

পরিবহন খাতের অন্যান্য মাধ্যমের মধ্যে রেলপথ ও নৌপথেও বেশ কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেদনকালীন সময়ে রেলপথে ৩১টি দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়, যাতে ২৩ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, নৌপথে ১৭টি দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত, ১৫ জন আহত এবং আরও ১৫ জন নিখোঁজ থাকার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থায় তদারকির অভাব এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে দুর্ঘটনার পেছনে বেশ কয়েকটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, লাইসেন্সবিহীন ও অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের অবাধ চলাচল, দীর্ঘ সময় বিশ্রামহীনভাবে গাড়ি চালানো এবং সড়ক-মহসড়কের জরাজীর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ অবস্থা। এছাড়া, ঈদ মৌসুমে অতিরিক্ত যাত্রী চাপ সামাল দিতে গিয়ে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন রাস্তায় নামানো এবং ট্রাফিক আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া দুর্ঘটনার হার বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে।

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কেবল ঈদকেন্দ্রিক স্বল্পমেয়াদি ও সাময়িক উদ্যোগ গ্রহণ করে এই মহাসড়কীয় বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব নয়। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে মানসম্মত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রবর্তন, প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু, চালকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন চলাচল কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে। একই সাথে, মহাসড়কে ছোট যানবাহনের লেন পৃথক করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026