1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৩.৬৫ লাখ মেট্রিক টন সার ও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লর্ডস টেস্টের স্কোয়াড থেকে ব্রাইডন কার্স বাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ফোনালাপ ও তেহরান সফর রাজধানীর কলাবাগান থানায় নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার খেলার মাঠের বাইরে ইউরোপীয় ফুটবলের করপোরেট লড়াই ও ব্র্যান্ড মূল্যের শীর্ষস্থান ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ জোরালো করার পাশাপাশি সামরিক বিকল্পও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র বায়তুল মোকাররমে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান

কোরবানির চাহিদা মেটাতে দেশীয় গরুই যথেষ্ট: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ৫৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

দেশে কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক গরু রয়েছে এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, দেশের কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকার দেশীয় খামার ও গবাদিপশু উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং অবৈধভাবে বিদেশি গরু প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রোববার রাজধানীর দিয়াবাড়ি গরুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে সরবরাহ, নিরাপত্তা ও আর্থিক লেনদেন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন করা হয়।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশে গবাদিপশু উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্থানীয় খামারিরা কোরবানির বাজারে বড় ভূমিকা রাখছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের গরু ও ছাগল সরবরাহ করা হয়, যা লালন-পালনের মাধ্যমে অনেকেই আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। এসব পশুই বর্তমানে কোরবানির বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবেও তিনি গবাদিপশু পালনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এবারের ঈদে তিনি নিজ খামারের ৪৫টি গরু বিক্রির পরিকল্পনা করেছেন। মন্ত্রী বলেন, গরু পালন তার একটি শখ এবং এ কারণে পশুর মান ও উৎস সম্পর্কে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে।

হাটে বিদেশি গরুর উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে বাজারে থাকা অধিকাংশ পশুই দেশীয়ভাবে উৎপাদিত। সীমান্তপথে যাতে অবৈধভাবে ভারতীয় গরু প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সতর্ক রাখা হয়েছে। দেশের কৃষক ও খামারিদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে কোরবানির পশুর হাটে জাল টাকার লেনদেন প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, হাট এলাকায় পুলিশের অস্থায়ী বুথে জাল টাকা শনাক্তকরণ যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকিং সেবাও রাখা হয়েছে, যাতে ক্রেতা ও বিক্রেতারা নিরাপদে আর্থিক লেনদেন করতে পারেন।

প্রতি বছর ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী পশুর হাট বসে। এসব হাটে বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয় এবং দেশীয় খামারিরা তাদের পালন করা পশু বিক্রির মাধ্যমে মৌসুমি আয়ের বড় সুযোগ পান। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, স্থানীয় উৎপাদন বাড়ার ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোরবানির পশুর বাজারে দেশীয় খামারিদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিদেশি পশুর ওপর নির্ভরশীলতা কমেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, দেশীয় খামার ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, উন্নত জাতের গবাদিপশু উৎপাদন এবং খামারিদের প্রণোদনা প্রদানের ফলে দেশের প্রাণিসম্পদ খাত ধীরে ধীরে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগোচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026