1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৩.৬৫ লাখ মেট্রিক টন সার ও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লর্ডস টেস্টের স্কোয়াড থেকে ব্রাইডন কার্স বাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ফোনালাপ ও তেহরান সফর রাজধানীর কলাবাগান থানায় নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার খেলার মাঠের বাইরে ইউরোপীয় ফুটবলের করপোরেট লড়াই ও ব্র্যান্ড মূল্যের শীর্ষস্থান ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ জোরালো করার পাশাপাশি সামরিক বিকল্পও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র বায়তুল মোকাররমে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান

সিউলে সফল সেমিকন্ডাক্টর রোডশো: বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ৬৫ বার দেখা হয়েছে

প্রযুক্তি প্রতিবেদক

কৌশলগত আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, মেধা উন্নয়ন এবং উন্নত প্যাকেজিং উদ্যোগের মাধ্যমে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশকে যুক্ত করার লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে দুই দিনব্যাপী প্রথম ‘সেমিকন্ডাক্টর রোডশো’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিউলে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ) যৌথভাবে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে। শুক্রবার (১৫ মে) রাতে দক্ষিণ কোরিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিএসআইএর সভাপতি এম এ জব্বারের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এই রোডশোতে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া সফর করেন। গত ১২ মে কোরিয়ার সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন হাউস ও কোরিয়া সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (কেএসআইএ) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মধ্য দিয়ে এই আয়োজন শুরু হয়। রোডশোর মূল আকর্ষণ ছিল সিউলের ডাবলট্রি বাই হিলটন পানগিও হোটেলে আয়োজিত একটি বিশেষ সংবর্ধনা ও কারিগরি অধিবেশন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল দুই দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের মধ্যে যৌথ সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রস্তাবিত ৭৯ বিলিয়ন ডলারের ২০ বছর মেয়াদি ‘টেকনাফ-তেঁতুলিয়া অর্থনৈতিক করিডোর’-কে হাই-টেক শিল্পায়নের ভবিষ্যৎ হাব হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এর ফলে প্রথাগত শহুরে কেন্দ্রের বাইরে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, উন্নত প্যাকেজিং এবং ইলেকট্রনিক্স শিল্পের প্রসারের জন্য দেশে একটি বিশেষ ইকোসিস্টেম তৈরি হবে।

বিএসআইএ সভাপতি এম এ জব্বার তার বক্তব্যে ডিজাইন ভেরিফিকেশন, এমবেডেড সিস্টেম এবং অ্যাডভান্সড প্যাকেজিংয়ের মতো কৌশলগত খাতগুলোর ওপর মনোযোগ দিয়ে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেমে বাংলাদেশের প্রবেশের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। রোডশোর টেকনিক্যাল সেশনে যুক্তরাষ্ট্রের পারডু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মুহাম্মদ মুস্তফা হুসেইন ‘সিলিকন রিভার’ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টিমূলক আলোচনা করেন। এরপর বাংলাদেশের সাতটি শীর্ষস্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর নকশাকারী ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও বৈশ্বিক বাজারের সম্ভাবনা তুলে ধরে। কারিগরি অধিবেশনে বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান এসকে হাইনিক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট চ্যাং হিউন কিম এবং ম্যাককিনসির প্রতিনিধি ইঞ্জি ইয়োম এআই-যুগে মেমোরি প্যাকেজিং প্রযুক্তির বিবর্তন ও তাদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

পরদিন ১৩ মে বিএসআইএ প্রতিনিধি দল দক্ষিণ কোরিয়ার কায়িস্ট, এসকে হাইনিক্স, হানা মাইক্রন, কেএসআইএ, কুলমাইক্রো, ওয়াই-টেক এবং গ্রোউইথ অ্যাসোসিয়েটসের মতো বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর ও গবেষণা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

এই রোডশোর একটি অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে কায়িস্ট গ্লোবাল কমার্শিয়ালাইজেশন সেন্টার, সেন্টার অব রিসার্চ এক্সিলেন্স অন সেমিকন্ডাক্টর টেকনোলজি এবং বিএসআইএর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সম্মতিপত্র (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো সেমিকন্ডাক্টর খাতে যৌথ গবেষণা, মেধা উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একসঙ্গে কাজ করা।

সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, এই রোডশোর সফল সমাপ্তি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বের সুস্পষ্ট প্রমাণ। সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো বৈশ্বিক নেতাদের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের উদীয়মান এই তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প ব্যাপকভাবে লাভবান হবে এবং দেশের তরুণ প্রকৌশলীদের আন্তর্জাতিক বাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক হাই-টেক গন্তব্যে রূপান্তর করতে সিউলে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস আগামীতেও এ ধরনের কৌশলগত উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026