1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চৌদ্দগ্রামে মাদক নিয়ে বিরোধে আহত শ্রমিকের মৃত্যু: বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের ওপর হামলা বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের রাজনীতি শেখার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর বিদ্যুৎ খাতে বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ৪০ হাজার কোটি টাকার বকেয়া পরিশোধে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে বর্তমান সরকার মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি সংসদে উপস্থাপনের দাবি রুমিন ফারহানার নাগরিক সুবিধা বিকেন্দ্রীকরণ ও ঢাকার আধুনিকায়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ঘোষণা নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে নৈতিক অপরাধ ও দুর্নীতির দায়ভার গ্রহণের প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সুরক্ষায় ৩৭ হাজার পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান ওয়াশিংটন নৈশভোজে ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টা: অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ও গুজবের বিস্তার যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘সমুদ্রে দস্যুতা’ আখ্যা দিল ইরান সৌদি আরবে ৩৮ হাজার হজযাত্রীর আগমন, মদিনায় আরও একজনের মৃত্যু

নাগরিক সুবিধা বিকেন্দ্রীকরণ ও ঢাকার আধুনিকায়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ওপর ক্রমবর্ধমান জনচাপ কমাতে দেশের প্রতিটি প্রান্তে উন্নত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার নানামুখী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, মানুষের প্রয়োজনীয় সকল সেবা ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে পড়ায় দেশব্যাপী ঢাকামুখী হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, যা নিরসনে বিকেন্দ্রীকরণের কোনো বিকল্প নেই।

সংসদ নেতা জানান, ঢাকার ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা কমাতে সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নত চিকিৎসাসেবা এবং মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ে আধুনিক নাগরিক অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে এবং জীবিকার তাগিদে রাজধানীতে আসার প্রবণতা হ্রাস পাবে। এর ফলে ঢাকা শহর তার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে পাবে এবং প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুষম বণ্টন সম্ভব হবে।

ফ্যামিলি কার্ড বা পারিবারিক সুরক্ষা কার্ডের প্রভাব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই, বরং এর মাধ্যমে বাজারে শৃঙ্খলা আসবে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা স্থিতিশীল থাকবে। সরকারি এই উদ্যোগটি মূলত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি অংশ হিসেবে কাজ করছে।

রাজধানীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে মহানগরীকে একটি ‘ক্লিন ও গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহরের পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫ লাখ বৃক্ষরোপণ করার একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৬ এর নিচের খালি অংশে মিরপুর-১২ থেকে ডিওএইচএস পর্যন্ত এবং ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের অংশে আব্দুল্লাহপুর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজের সমারোহ বাড়ানো হবে।

জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং শহরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে সংসদ নেতা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ঢাকা শহরকে বর্জ্যমুক্ত করতে ‘জিরো ওয়েস্ট’ বা শূন্য বর্জ্য নীতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় শহরের সমুদয় বর্জ্যকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করে উপজাত বা শক্তিতে রূপান্তর করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে পরিবেশের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে একটি পরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়নের রূপরেখা ফুটে উঠেছে। একদিকে যেমন প্রান্তিক পর্যায়ে শহরের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, অন্যদিকে ঢাকাকে একটি পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য আধুনিক মেগাসিটি হিসেবে পুনর্গঠনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। সরকারের এই বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক ভারসাম্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026