1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে বছরব্যাপী নানা আয়োজন সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন খসড়া পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের আবহমান কালের মূল মূল্যবোধ: প্রধানমন্ত্রী দেশে জুন মাসে ৩৩৩ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার নড়াইলে চোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আসামি ৫ চট্টগ্রামে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, এক মাসেই আক্রান্ত চারগুণ ইউরোপের ৬ দেশে রেনাটার থাইরয়েড ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন

নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে নৈতিক অপরাধ ও দুর্নীতির দায়ভার গ্রহণের প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৫ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ভার গ্রহণের প্রশ্ন তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। গত মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নাহিদ ইসলামের দেওয়া এক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।

রাশেদ খাঁন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সংসদে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ চেয়েছেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি সরাসরি দুর্নীতির সাথে যুক্ত না থাকলেও, তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে সরকার ও সরকার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের দায় তাকেই নিতে হবে। বিশেষ করে নাহিদ ইসলামের সাবেক একান্ত ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে ওঠা নানাবিধ অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনিক স্তরে নিজস্ব বলয়ের ব্যক্তিদের পদায়ন এবং প্রভাব বিস্তারের যে চর্চা শুরু হয়েছিল, তার দায়ভার এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নাহিদ ইসলামের অধীনে থাকা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই নেতা। তিনি দাবি করেন, গত ১৬ বছরের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ বা মন্ত্রণালয়ের আমূল সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা না রেখেই তিনি দায়িত্ব ত্যাগ করেছেন। উপরন্তু, নাহিদ ইসলামের উত্তরসূরি হিসেবে যিনি তথ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিতর্কিত আইনে দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স প্রদান করেছেন। এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের নৈতিক দায়ভারও নাহিদ ইসলামের ওপর বর্তায় বলে মনে করেন রাশেদ খাঁন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, উপদেষ্টা পদে থেকে রাজনৈতিক দল ‘এনসিপি’ গঠন করা একটি গুরুতর নৈতিক স্খলন। এছাড়া এনসিপির আর্থিক উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিভিন্ন শিল্পপতি বা বিত্তশালীদের কাছ থেকে রাজনৈতিক অনুদান গ্রহণের বিষয়টি স্বচ্ছ নয় বলে তিনি দাবি করেন। বিশেষ করে বিতর্কিত ব্যবসায়ীদের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করার পেছনে কোনো আর্থিক সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

রাশেদ খাঁনের মতে, বিচার বিভাগীয় সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার নিয়ে সরকারে গেলেও নাহিদ ইসলাম সেই লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়ে পদত্যাগ করেছেন। এই ব্যর্থতাকে তিনি ‘নৈতিক অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

জাতীয় রাজনীতিতে এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য নতুন মেরুকরণের আভাস দিচ্ছে। সংসদীয় বিতর্কের বাইরেও রাজপথের নেতাদের এই কড়া সমালোচনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবিকে জোরালো করছে। নাহিদ ইসলাম বা তার দল এনসিপি এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলে এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতে এর প্রভাব প্রশাসনের ওপর পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026