1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি নিশ্চিতে ‘এলপিজি কার্ড’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যম সংস্কারে মিডিয়া কমিশন গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তার প্রস্তাব উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা: সাবেক সেনা কর্মকর্তা আফজাল নাছের দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে দ্রুত দশম ওয়েজ বোর্ড গঠনের তাগিদ হুইপ দুলুর মুগদায় ডিবি পুলিশের ব্লক রেইড: মাদক সেবনের দায়ে আটক ৫৮ জনের কারাদণ্ড উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে নবীন শিক্ষকদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: ইউজিসি চেয়ারম্যান ভোলায় যৌথ অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক চুক্তির চূড়ান্ত রূপরেখা প্রণয়নে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় বিশেষ অধিবেশন শুরু ৪ জন অসহায় ব্যক্তিকে পুনর্বাসন উপকরণ ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান ওপেনএআই বনাম ইলন মাস্ক: এআই প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে শুরু হচ্ছে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আইনি লড়াই

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে নবীন শিক্ষকদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: ইউজিসি চেয়ারম্যান

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নবীন শিক্ষকদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিকে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ। তিনি অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকদের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হলে তার ইতিবাচক প্রভাব সরাসরি শ্রেণিকক্ষ পরিচালনা এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদান প্রক্রিয়ায় প্রতিফলিত হবে।

গতকাল বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ও সম্মেলন কেন্দ্রে নবীন শিক্ষকদের জন্য আয়োজিত ৩য় ও ৪র্থ ব্যাচের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় ইউজিসি এই বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে। দীর্ঘমেয়াদী এই আবাসিক প্রশিক্ষণে দেশের ৩৩টি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৫৯ জন নবীন শিক্ষক অংশগ্রহণ করছেন।

প্রফেসর মামুন আহমেদ তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য এই ধরনের দীর্ঘমেয়াদী আবাসিক প্রশিক্ষণ কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম নয়, বরং এটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে একটি শক্তিশালী পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার অনন্য সুযোগ। তিনি বিশ্বাস করেন, ভবিষ্যতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষকদের এই পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং অর্জিত দক্ষতা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশ্বমানের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নকে বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান দাবি হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, তরুণ শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত সময়োপযোগী। তিনি অংশগ্রহণকারী নবীন শিক্ষকদের প্রতি আলোকিত, ন্যায়নিষ্ঠ ও নিষ্ঠাবান শিক্ষক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান। উচ্চশিক্ষার মূল লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষকদের নৈতিক ও পেশাদারিত্বের মান বজায় রাখা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব এবং প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম উচ্চশিক্ষার মানদণ্ড বজায় রাখতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন। তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে পরিবর্তিত শিক্ষা পদ্ধতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শিক্ষকদের ক্রমাগত জ্ঞান চর্চা ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হতে হবে। বিশ্বব্যাংকের কনসালটেন্ট মাহমুদুল হক অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষার বিবর্তন ও বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা করেন।

হিট প্রকল্পের পরিচালক প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান এবং কোর্স পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান প্রশিক্ষণের মডিউল ও এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তারা জানান, চার মাসব্যাপী এই নিবিড় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে শিক্ষাদান পদ্ধতি, গবেষণার কৌশল, প্রশাসনিক কার্যাবলি এবং নৈতিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বাউবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সাঈদ ফেরদৌস, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, হিট প্রকল্পের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদী অবদান রাখবে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান সুসংহত করবে। মূলত শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিথস্ক্রিয়া বৃদ্ধি এবং গবেষণামুখী শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মূল লক্ষ্য।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026