1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট নিরসনে ব্যতিরেখ সংস্কার ও ডিজিটাল অর্থনীতি চালুর প্রস্তাব হালিশহরে মাটি ধসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ২ বার্নলিকে হারিয়ে আর্সেনালকে টপকে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটি সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা রাজনৈতিক শক্তিবৃদ্ধিতে বড় দলগুলোর নেতাকর্মীদের টার্গেট করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি জ্বালানি তেলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও ইসরায়েলি তৎপরতায় হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে উত্তেজনা জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নামকরণ বীরশ্রেষ্ঠদের নামে সম্পন্ন ঢাবি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ডাকসু নেতার হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধা’ সমাবেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা খর্ব করার প্রস্তাব আবারও নাকচ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করার লক্ষ্যে আনা একটি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ সিনেটে আবারও নাকচ হয়ে গেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধকালীন বিশেষ ক্ষমতা হ্রাস করার জন্য আনা ডেমোক্র্যাটদের এই পঞ্চম প্রচেষ্টাটি প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় ব্যর্থ হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সিনেটে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সক্ষম হয়নি।

সিনেট সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবটির পক্ষে ৪৬ জন সিনেটর ভোট দিলেও বিপক্ষে অবস্থান নেন ৫১ জন। মার্কিন আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো প্রস্তাব পাসের জন্য সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হলেও প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য ভেটো এড়াতে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনের প্রয়োজন হয়। তবে বর্তমান রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেটে এই প্রস্তাবটি প্রাথমিক পর্যায়ের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতেই ব্যর্থ হয়েছে। মূলত দলীয় লাইনে বিভাজনের কারণেই ডেমোক্র্যাটদের এই উদ্যোগটি সফল হতে পারেনি।

ভোটাভুটির আগে সিনেটে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার রিপাবলিকান সিনেটরদের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য তথা ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়ানোর ব্যাপারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কেবল মৌখিক আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন, যা বাস্তবে দৃশ্যমান নয়। শুমার মন্তব্য করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে এই ভোটাভুটি ছিল একটি বড় সুযোগ, যা রিপাবলিকানরা হাতছাড়া করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রেসিডেন্টকে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধ ঘোষণার চূড়ান্ত ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের হাতে ন্যস্ত। ডেমোক্র্যাটরা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে, বর্তমান প্রশাসন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই একক সিদ্ধান্তে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডারকে হত্যার পর থেকে এই উদ্বেগ আরও ঘনীভূত হয়েছে। এর আগে নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে একই ধরনের প্রস্তাব পাস হলেও সিনেটে গিয়ে তা বারবার আটকে যাচ্ছে।

এই প্রস্তাবটি পাসের মাধ্যমে মূলত ১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’-এর কার্যকারিতা আরও সুনির্দিষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এতে উল্লেখ ছিল যে, কংগ্রেসের সুনির্দিষ্ট অনুমোদন বা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সরাসরি হামলা না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারবে না হোয়াইট হাউস। কিন্তু রিপাবলিকান সিনেটরদের দাবি, প্রেসিডেন্টের এই ক্ষমতা খর্ব করা হলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এবং শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথ রুদ্ধ হবে।

প্রস্তাবটি নাকচ হয়ে যাওয়ার ফলে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান আরও শক্তিশালী হলো বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যেকার কূটনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতা যখন চরমে, তখন মার্কিন আইনসভার এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কৌশলে প্রেসিডেন্টের একক কর্তৃত্ব বজায় থাকছে, যা নিয়ে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিতর্ক আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ভোটাভুটির ফল আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও ডেমোক্র্যাটদের অন্যতম প্রচারণার বিষয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026