1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে বছরব্যাপী নানা আয়োজন সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন খসড়া পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের আবহমান কালের মূল মূল্যবোধ: প্রধানমন্ত্রী দেশে জুন মাসে ৩৩৩ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার নড়াইলে চোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আসামি ৫ চট্টগ্রামে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, এক মাসেই আক্রান্ত চারগুণ ইউরোপের ৬ দেশে রেনাটার থাইরয়েড ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন

জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নামকরণ বীরশ্রেষ্ঠদের নামে সম্পন্ন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নাম পরিবর্তন করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখা সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নতুন নামকরণ করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বীরত্বগাথাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষণ ও সম্মানিত করা হলো। সম্প্রতি সংসদ ভবনের অভ্যন্তরীণ গ্যালারিগুলোতে নতুন নামফলক স্থাপনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়।

নবনিযুক্ত নামানুসারে গ্যালারিগুলোর বর্তমান পরিচয় হলো— বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান গ্যালারি এবং বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ গ্যালারি। ইতিপূর্বে এই গ্যালারিগুলোর নামকরণ ছিল মূলত সাধারণ ক্রমিক নম্বর কিংবা ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত সেই নামগুলো পরিবর্তন করে এখন মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবন বাংলাদেশের স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম নিদর্শন এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে বীরশ্রেষ্ঠদের নামে গ্যালারিগুলোর উৎসর্গ করা রাষ্ট্রীয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন বা সংসদ ভবন পরিদর্শনে আসা দেশি-বিদেশি অতিথিরা এই নামকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের নেপথ্যে থাকা বীরদের সম্পর্কে আরও স্পষ্টভাবে জানতে পারবেন। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বরং জাতীয় ইতিহাসের চেতনাকে সংসদীয় কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ করার একটি প্রয়াস।
জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নামকরণ বীরশ্রেষ্ঠদের নামে সম্পন্ন

বাংলাদেশ ডেস্ক

জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নাম পরিবর্তন করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখা সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নতুন নামকরণ করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বীরত্বগাথাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষণ ও সম্মানিত করা হলো। সম্প্রতি সংসদ ভবনের অভ্যন্তরীণ গ্যালারিগুলোতে নতুন নামফলক স্থাপনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়।

নবনিযুক্ত নামানুসারে গ্যালারিগুলোর বর্তমান পরিচয় হলো— বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান গ্যালারি এবং বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ গ্যালারি। ইতিপূর্বে এই গ্যালারিগুলোর নামকরণ ছিল মূলত সাধারণ ক্রমিক নম্বর কিংবা ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত সেই নামগুলো পরিবর্তন করে এখন মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবন বাংলাদেশের স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম নিদর্শন এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে বীরশ্রেষ্ঠদের নামে গ্যালারিগুলোর উৎসর্গ করা রাষ্ট্রীয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন বা সংসদ ভবন পরিদর্শনে আসা দেশি-বিদেশি অতিথিরা এই নামকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের নেপথ্যে থাকা বীরদের সম্পর্কে আরও স্পষ্টভাবে জানতে পারবেন। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বরং জাতীয় ইতিহাসের চেতনাকে সংসদীয় কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ করার একটি প্রয়াস।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের সর্বোচ্চ স্বীকৃতিস্বরূপ এই সাতজনকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ তাদের নামে করা হলেও, রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ আইনসভায় এমন উদ্যোগ আগে নেওয়া হয়নি। বর্তমান এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে সংসদ ভবনের মর্যাদাগত গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নামকরণ বীরশ্রেষ্ঠদের নামে সম্পন্ন

বাংলাদেশ ডেস্ক

জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নাম পরিবর্তন করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখা সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নতুন নামকরণ করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বীরত্বগাথাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষণ ও সম্মানিত করা হলো। সম্প্রতি সংসদ ভবনের অভ্যন্তরীণ গ্যালারিগুলোতে নতুন নামফলক স্থাপনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়।

নবনিযুক্ত নামানুসারে গ্যালারিগুলোর বর্তমান পরিচয় হলো— বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন গ্যালারি, বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান গ্যালারি এবং বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ গ্যালারি। ইতিপূর্বে এই গ্যালারিগুলোর নামকরণ ছিল মূলত সাধারণ ক্রমিক নম্বর কিংবা ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত সেই নামগুলো পরিবর্তন করে এখন মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবন বাংলাদেশের স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম নিদর্শন এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে বীরশ্রেষ্ঠদের নামে গ্যালারিগুলোর উৎসর্গ করা রাষ্ট্রীয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন বা সংসদ ভবন পরিদর্শনে আসা দেশি-বিদেশি অতিথিরা এই নামকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের নেপথ্যে থাকা বীরদের সম্পর্কে আরও স্পষ্টভাবে জানতে পারবেন। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বরং জাতীয় ইতিহাসের চেতনাকে সংসদীয় কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ করার একটি প্রয়াস।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের সর্বোচ্চ স্বীকৃতিস্বরূপ এই সাতজনকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ তাদের নামে করা হলেও, রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ আইনসভায় এমন উদ্যোগ আগে নেওয়া হয়নি। বর্তমান এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে সংসদ ভবনের মর্যাদাগত গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থী, গবেষক এবং দর্শনার্থীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশের পথ সুগম হবে। সংসদের গ্যালারিতে যখনই কোনো আলোচনা বা অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে, তখনই এই বীরদের নাম উচ্চারিত হওয়ার মাধ্যমে তাদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ যারা সংসদীয় কার্যক্রম দেখতে আসেন, তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগ্রত করতে এই নামকরণ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য যে, জাতীয় সংসদ সচিবালয় গ্যালারিগুলোর আধুনিকায়ন এবং ইতিহাস সংরক্ষণের অংশ হিসেবে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি গত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বা সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারণী মহলে আলোচিত হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নামকরণের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে সংসদ ভবনের প্রতিটি গ্যালারি এখন এক একটি বীরত্বপূর্ণ ইতিহাসের স্মারক হিসেবে দণ্ডায়মান। এই সিদ্ধান্তটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় আত্মদানকারী বীরদের প্রতি জাতির দীর্ঘদিনের ঋণের একটি প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ।

রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থী, গবেষক এবং দর্শনার্থীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশের পথ সুগম হবে। সংসদের গ্যালারিতে যখনই কোনো আলোচনা বা অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে, তখনই এই বীরদের নাম উচ্চারিত হওয়ার মাধ্যমে তাদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ যারা সংসদীয় কার্যক্রম দেখতে আসেন, তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগ্রত করতে এই নামকরণ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য যে, জাতীয় সংসদ সচিবালয় গ্যালারিগুলোর আধুনিকায়ন এবং ইতিহাস সংরক্ষণের অংশ হিসেবে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি গত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বা সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারণী মহলে আলোচিত হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নামকরণের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে সংসদ ভবনের প্রতিটি গ্যালারি এখন এক একটি বীরত্বপূর্ণ ইতিহাসের স্মারক হিসেবে দণ্ডায়মান। এই সিদ্ধান্তটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় আত্মদানকারী বীরদের প্রতি জাতির দীর্ঘদিনের ঋণের একটি প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের সর্বোচ্চ স্বীকৃতিস্বরূপ এই সাতজনকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ তাদের নামে করা হলেও, রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ আইনসভায় এমন উদ্যোগ আগে নেওয়া হয়নি। বর্তমান এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে সংসদ ভবনের মর্যাদাগত গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থী, গবেষক এবং দর্শনার্থীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশের পথ সুগম হবে। সংসদের গ্যালারিতে যখনই কোনো আলোচনা বা অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে, তখনই এই বীরদের নাম উচ্চারিত হওয়ার মাধ্যমে তাদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ যারা সংসদীয় কার্যক্রম দেখতে আসেন, তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগ্রত করতে এই নামকরণ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য যে, জাতীয় সংসদ সচিবালয় গ্যালারিগুলোর আধুনিকায়ন এবং ইতিহাস সংরক্ষণের অংশ হিসেবে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি গত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বা সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারণী মহলে আলোচিত হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নামকরণের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে সংসদ ভবনের প্রতিটি গ্যালারি এখন এক একটি বীরত্বপূর্ণ ইতিহাসের স্মারক হিসেবে দণ্ডায়মান। এই সিদ্ধান্তটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় আত্মদানকারী বীরদের প্রতি জাতির দীর্ঘদিনের ঋণের একটি প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026