1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে দেশের ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৭ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

সরকারি তথ্যবিবরণীতে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জানানো হয়েছে, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলসহ বাংলাদেশের ১০টি জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে কৃষকদের মধ্যে সরাসরি কৃষক কার্ড বিতরণ করবেন।

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের ক্ষুদ্র ও মধ্যম আয়ের কৃষকদের সরকারি সহায়তা এবং বিভিন্ন সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই কার্ডের আওতায় কৃষকরা সরকারি বাজারে সস্তা সার, বীজ, কৃষি যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য সহায়তা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া, কৃষি ঋণ প্রাপ্তি এবং অন্যান্য সরকারি কর্মসূচিতেও এই কার্ড ব্যবহারযোগ্য হবে।

সরকারি সূত্র জানায়, এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য কৃষকদের আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত সুবিধা নিশ্চিত করা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা। ২০২৬ সালের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাইলট পর্যায়ে এই কার্যক্রম চালু করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যেই লক্ষাধিক কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা এই অনুষ্ঠানের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়া বাকি ৯ জেলায় সমান্তরালভাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় কৃষকরা অংশগ্রহণ করবেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কৃষক কার্ড প্রকল্পটি দেশের কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের সুনির্দিষ্ট সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এছাড়াও, এটি কৃষকদের সরকারি সুবিধা ব্যবস্থায় সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে দুর্নীতি কমাতে সহায়ক হবে।

সরকারি তথ্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ, ঋণ সুবিধা, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং অন্যান্য সরকারি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ সহজে করতে পারবে। এটি বিশেষভাবে ক্ষুদ্র ও সীমিত সম্পদের কৃষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।

এই উদ্যোগ বাংলাদেশের কৃষি খাতকে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক করার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে স্থায়ী উন্নয়ন নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026