জাতীয় ডেস্ক
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য জানিয়েছেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
মন্ত্রী জানান, দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকার জনবল নিশ্চিতকরণে কাজ করছে। নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ হিসেবে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এর আগে ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি ৪৮তম বিসিএস-এর মাধ্যমে ২৯৮৪ জন সহকারী সার্জন, ২৭৯ জন ডেন্টাল সার্জন এবং ৪৪তম বিসিএস-এর মাধ্যমে ১৮ জন সহকারী সার্জন (এমবিবিএস) ও ২২ জন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৬২ জন সহকারী সার্জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
মন্ত্রী আরও বিস্তারিতভাবে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের চিকিৎসকসহ অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীর অবস্থার তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ১৯৬টি পদ রয়েছে, যার মধ্যে ১৩৮ জন কর্মরত এবং ৫৮টি শূন্যপদ রয়েছে। চিকিৎসক পদ সংখ্যা ৩১টি, যেখানে ২১ জন কর্মরত এবং ১০টি শূন্য। নার্সদের ক্ষেত্রে ৩৬টির মধ্যে ৩৫টি পদ পূর্ণ এবং ১টি শূন্য। ১১তম থেকে ১৬তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীর ১০২টির মধ্যে ৬৭টি পদ পূর্ণ এবং ৩৫টি শূন্য। ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডে মোট ২৭টির মধ্যে ১৫টি পূর্ণ এবং ১২টি শূন্য।
তিনি জানিয়েছেন, শূন্যপদ পূরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে নিয়োগ ও পদায়নের মাধ্যমে সব শূন্য পদ পূরণ করা হবে। সরকারের এই পদক্ষেপ স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করবে।