1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের ৪৩ জেলায় ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নতুন মুখপাত্র নিযুক্ত জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ বিএনপি সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দ্বিচারিতার অভিযোগ স্বতন্ত্র এমপির ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে নতুন করে উদ্বেগ গণভোটের ফলাফল ও রাষ্ট্র সংস্কার অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আজ ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মতবিনিময় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু, ২০২৬ সালের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখ উদযাপন শোভাযাত্রার নামকরণ ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ঘোষণা করেছেন, চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন বাংলা নববর্ষ উদযাপনের শোভাযাত্রা এবার থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক সংবাদ বৈঠকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মন্ত্রী জানান, নববর্ষ উদযাপন ও দেশের বিভিন্ন উপজাতি, যেমন চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ পালনের বিষয়ে সচিবালয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শোভাযাত্রার নামকরণ নিয়ে চলমান বিতর্ক ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়।

নীতাই রায় চৌধুরী বলেন, পহেলা বৈশাখ উদযাপনের জন্য শোভাযাত্রার নাম ‘আনন্দ’ বা ‘মঙ্গল’ নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তা অপ্রয়োজনীয়। তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে আমরা ঐক্য চাই। তাই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ রাখা হবে এবং ভবিষ্যতেও প্রতিবছর এই নাম ব্যবহার করা হবে।”

মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, নতুন নামকরণের কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, বিশেষ করে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, শোভাযাত্রার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর স্বীকৃতি অব্যাহত থাকবে।

পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে পরিচিত। প্রতিটি বছরের প্রথম দিনটি নতুন বছরের আগমনকে চিহ্নিত করে এবং এর মধ্যে দেশব্যাপী নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য প্রধান শহরে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রম, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নৃত্য ও সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।

বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের ঐতিহ্য বহুপ্রাচীন। শোভাযাত্রার মাধ্যমে নতুন বছরের আনন্দ, সংস্কৃতির বৈচিত্র্য এবং সামাজিক ঐক্য প্রদর্শিত হয়। সরকার এবারের নামকরণের মাধ্যমে মূলত সমন্বিত ও সার্বজনীন উদযাপনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে, যাতে সকল জনগোষ্ঠী অংশগ্রহণ করতে পারে এবং কোন ধরনের বিভাজন সৃষ্টি না হয়।

সংস্কৃতিমন্ত্রকের এই পদক্ষেপের ফলে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রতিটি আয়োজন এক নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড ও পরিচয় পাবে। শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ঘোষণার মাধ্যমে আগামী বছরের জন্যও একটি ঐক্যবদ্ধ উদযাপন কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026