বাংলাদেশ ডেস্ক
রোববার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জ্বালানি সহযোগিতা, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়সহ দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু আলোচনা করা হয়।
সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিষয়ক কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার কথা হয়েছে এবং বাংলাদেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সহযোগিতা পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, বৈঠকে যেসব চুক্তি রয়েছে, সেগুলো প্রকাশযোগ্য এবং কোনো গোপন চুক্তি নেই। রাশিয়ান তেল কেনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চাওয়া হয়েছে বলে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভুল।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ সব উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি করছে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে যেকোনো দেশ থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এতে ভারত, মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ অন্তর্ভুক্ত। সাক্ষাতের সময় দুই পক্ষই জ্বালানি ও উন্নয়নসহ বৈদেশিক সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকের সময় রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন প্রধানমন্ত্রীকে দুটি ছবি এবং হোয়াইট হাউসের একটি রেপ্লিকা উপহার দেন। প্রদত্ত ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবিতে রয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার, অন্য ছবিতে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র।
সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বৈঠকটি দুই দেশের সম্পর্ক গভীরকরণ এবং বিভিন্ন খাতের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে।