1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু, ২০২৬ সালের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৬ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

দেশে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভার্চুয়ালি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতীতে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রচারণা ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালিত হয়নি। ফলে কিছু এলাকায় এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান, বর্তমান সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন করে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা এবং হামজনিত শিশুমৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ লক্ষ্য অর্জনে টিকাদান কার্যক্রমকে জোরদার করার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, হাম ও রুবেলা উভয়ই সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে অপুষ্টি ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ জটিল আকার ধারণ করতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ও ব্যাপক টিকাদানই এ রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার জেলার দুটি উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় টিকা প্রদান করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত বয়সসীমার সকল শিশুকে টিকাদানের আওতায় আনতে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করবেন।

কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং বিভিন্ন সহায়ক সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন করতে প্রচার-প্রচারণাও জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, দেশে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে অতীতে বিভিন্ন সময় জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হলেও কিছু অঞ্চলে টিকাদানের আওতা সন্তোষজনক ছিল না। ফলে নতুন করে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে জরুরি ভিত্তিতে এ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, পরিকল্পিতভাবে টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে হাম-রুবেলার সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং শিশুস্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026