1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের ৪৩ জেলায় ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নতুন মুখপাত্র নিযুক্ত জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ বিএনপি সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দ্বিচারিতার অভিযোগ স্বতন্ত্র এমপির ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে নতুন করে উদ্বেগ গণভোটের ফলাফল ও রাষ্ট্র সংস্কার অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আজ ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মতবিনিময় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু, ২০২৬ সালের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দ্বিচারিতার অভিযোগ স্বতন্ত্র এমপির

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে স্বাক্ষর না করার ব্যাখ্যা তাদের নিজেই দিতে হবে। তিনি সম্প্রতি আর জে কিবরিয়ার একটি টকশোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, “বিএনপি দলগতভাবে তাদের সিদ্ধান্ত নেবে। আমি স্বতন্ত্র এমপি হিসেবে বা আইনজীবী হিসেবে আমার মতো করে সিদ্ধান্ত নেব। জামায়াতও তাদের মতো সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের ব্যাপারে আলোচনা করল, গণভোট অনুষ্ঠিত হলো, হ্যাঁ ভোটের পক্ষে যাওয়া হলো, তার পর তাদের সই না করার ব্যাখ্যা তাদেরকেই দিতে হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা সংবিধান বাতিল করতে চেয়েছিলেন, তারা চাইলে সেটা তখনই করতে পারতেন। তিনি বলেন, “আপনারা পুরো বিষয়টিকে বিপ্লব বলে একটি সরকার গঠন করে সংবিধান স্থগিত করতেন অথবা বলতেন যে এই সংবিধান আর থাকবে না। এরপর একটি নতুন সংবিধান লেখা যেত।”

রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি হিসেবে বলেন, সংবিধান এখনও বলবৎ রয়েছে। তিনি বলেন, “আমি একদিন প্রশ্ন তুলেছিলাম, এটি কি অভ্যুত্থান না বিপ্লব। যদি এটি অভ্যুত্থান হয়, তাহলে সংবিধান কার্যকর রয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা দায়িত্বে আছেন এবং অনেক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কনস্টিটিউশনাল ডিবেট হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা হয়নি। এর পরিবর্তে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং ব্যক্তিগত আক্রমণ সৃষ্টি হয়।”

তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, যেহেতু তিনি সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন, তাই সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া সেই সংবিধান অনুযায়ীই সম্পন্ন হবে। রুমিন ফারহানা বলেন, “সো আমি গণপরিষদের শপথ সেই সংবিধান অনুযায়ী আর নিতে পারি না। এখানে একটি আইনি দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে।”

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, বিএনপি বিষয়টি আগেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে না। তিনি বলেন, “এটি বিএনপির পক্ষ থেকে এক ধরনের দ্বৈত নীতি এবং প্রতারণার পরিচয় বহন করে। যারা ওই সংবিধান সংশোধন কমিটিতে ছিলেন, দিনের পর দিন বৈঠক করেছেন, প্রধানমন্ত্রীসহ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন, তারপর আচমকা তাদের অবস্থান পরিবর্তন।”

রুমিন ফারহানা বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন যে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া ও গণপরিষদের শপথ গ্রহণের মধ্যে আইনি অসঙ্গতি রয়েছে, যা পরবর্তী রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্ব বহন করতে পারে। তিনি মনে করান, সংবিধান অনুযায়ী কার্যক্রমের স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি, যাতে রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা যায়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026