1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাংলাদেশ যুব ফুটবল দলের জয়ে স্পিকারের অভিনন্দন শিশুদের স্বাবলম্বিতা ও কল্যাণ নিশ্চিতে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি শিশুদের স্বাবলম্বিতা ও কল্যাণ নিশ্চিতে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনের অপেক্ষায়, প্রশাসক নিয়োগ চলছে তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান কদমতলী গ্যাসলাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ৪ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধতার সুপারিশসহ ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শিক্ষামন্ত্রী: পরীক্ষায় নকল সহ সহায়তাকারীদের কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ১৮ জেলায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ৩৬তম দিনে প্রতিরোধ শক্তি ধরে রাখছে

হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ১৮ জেলায়

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

প্রাথমিকভাবে দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হাম ও রুবেলার টিকা প্রদান করা হবে। আগামীকাল রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাস্তবায়িত হবে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সকাল ৯টা থেকে দেশের নির্ধারিত উপজেলাগুলোতে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি বলেন, প্রথম ধাপে এসব জেলার ৩০টি উপজেলায় টিকা প্রদান করা হবে। উদ্বোধনী দিনে পাঁচটি কেন্দ্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত থাকবেন, বাকিগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও সিভিল সার্জনরা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

মন্ত্রী জানান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগে টিকা নেওয়া থাকুক বা না থাকুক, এই বয়সসীমার সব শিশুকেই পুনরায় টিকা দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৮২ শতাংশই ৬ মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। তাই প্রথম পর্যায়ে এই বয়সসীমার সব শিশু টিকাদানের আওতায় আনা হচ্ছে।

টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি আক্রান্ত বা জ্বরগ্রস্ত শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে। তবে সুস্থ শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র টিকাই প্রদান করা হবে, অতিরিক্ত কোনো ওষুধ দেওয়া হবে না। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে টিকা প্রদান করা হবে। আগের টিকাদান কেন্দ্রগুলো ছাড়াও স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত স্থান, স্কুল ও কমিউনিটি সেন্টারে কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রাথমিকভাবে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে কার্যক্রম শুরু হলেও, ধীরে ধীরে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি আরও জানান, জুলাই মাসের মধ্যে এটি নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চালু থাকবে।

২০২৫ সালে টিকা দানের হারে পতন বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অতীতের বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট না করে বর্তমানে শিশুদের সুরক্ষাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এছাড়া, যেসব শিশু জ্বরগ্রস্ত বা অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর প্রদান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচির আওতাভুক্ত ৩০টি উপজেলা হলো— রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাটোর সদর ও যশোর সদর।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. এস এম জিয়াউদ্দিন, স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026