1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন এমপি ড. খন্দকার মোশারররফ হোসেন বগুড়ায় আমজনতার দলের মহাসচিব তারেক রহমানের বাবার প্রথম জানাজা সম্পন্ন ‘গা থেকে গন্ধ আসা’ মন্তব্যে তানজিন তিশার প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার হিসেবে পাবনার খালেদ হোসেন পরাগ নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ১৭তম ধাপে সাতটিরও বেশি অত্যাধুনিক রাডার ধ্বংস করেছে ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন ধারা শুরু ইরান-যুক্ত উত্তেজনার মধ্যে দুবাই থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন জার্মানি ও বেলজিয়াম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ হামলায় অংশ নিচ্ছে না ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় চ্যালেঞ্জ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করলেন প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে অর্ধেক লাইট বন্ধ ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের তাপমাত্রা কমিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন।

অতিরিক্ত প্রেসসচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সকাল প্রায় ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে পৌঁছান। দপ্তরে প্রবেশের পরপরই তিনি কক্ষের আলো ব্যবহারের বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং নিজের কক্ষে থাকা মোট লাইটের প্রায় ৫০ শতাংশ বন্ধ করে দেন। পাশাপাশি কক্ষের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করতে নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এ ধরনের তাপমাত্রা নির্ধারণ করলে বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে কম হয় এবং একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় শীতলতা বজায় থাকে।

এদিন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে প্রবেশের পর প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে থাকা আলো ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দেন। কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ রাখার পাশাপাশি এসির তাপমাত্রা কমিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বলা হয়। এর ফলে কক্ষে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো সম্ভব হয় বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগের পর সচিবালয়ে তাঁর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরেও তাৎক্ষণিকভাবে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক কক্ষে অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ রাখা এবং এসির তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি নির্ধারণ করার নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমী হওয়ার বিষয়টি বাস্তবায়নে এ ধরনের উদ্যোগ একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করতে পারে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সচেতনতা বাড়াতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমিয়ে আনলে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

প্রধানমন্ত্রী সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দৈনন্দিন কার্যক্রমে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংযম বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে দিনের বেলায় অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অফিস বা বাসাবাড়ির জানালা ও পর্দা সরিয়ে সূর্যের আলো ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ কমানো সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

এ ছাড়া সরকারি অফিস-আদালত, শপিংমল, বিপণিবিতান এবং বাণিজ্যিক ভবনগুলোতেও অপ্রয়োজনীয় লাইট ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহারে সংযমী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে যদি প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়, তাহলে সামগ্রিকভাবে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় চাপ কমানো সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর অবস্থিত। এ ভবনেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ প্রধানমন্ত্রীর অধীনস্থ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দপ্তর কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রতিদিন অসংখ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী এখানে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে ভবনটিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণও তুলনামূলকভাবে বেশি।

প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ের বিষয়ে সচিবালয় থেকে শুরু হওয়া এ উদ্যোগ সরকারি অন্যান্য দপ্তর এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একটি কার্যকর দৃষ্টান্ত হতে পারে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনভিত্তিক ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা গেলে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026