1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আগামী পাঁচ বছরে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা চট্টগ্রামকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের মেগা পরিকল্পনা ঢালাও আসামি ও নানা অসংগতি: ঝুলে আছে জুলাই আন্দোলনের অধিকাংশ মামলার তদন্ত মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের নকআউট পর্বের ম্যাচ নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে লালমনিরহাটে যৌতুকবিহীন ৭ জুটির গণবিয়ে সম্পন্ন, এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু আগামী আগস্ট মাসজুড়ে অনলাইনে নেওয়া হবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আবেদন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মানবিকতা: ভূমিকম্পে পা হারানো ভেনেজুয়েলার শিশুকে জার্সি ও ভিডিও বার্তা প্রেরণ আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষকৃত্য: পাঁচ হাজারেরও বেশি স্কুল উন্মুক্ত করল ইরান বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১২৮ বার দেখা হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক

আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ পালিত হচ্ছে। ইসলাম ধর্মে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত, নফল নামাজ ও দোয়ার মাধ্যমে পালন করবেন।

শবে মেরাজ ইসলামের ইতিহাসে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। ঐ রাতেই আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করার বিধান দেন। নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর এই নির্দেশ অনুযায়ী মানবজাতির জন্য প্রতিদিন পাঁচবার সালাত আদায়ের বিধান পৌঁছে দেন, যা ইসলামের অন্যতম মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, নবুওয়াতের দশম বছরে বা ৬২১ খ্রিষ্টাব্দে এক রাতে হযরত মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন। সেখানে তিনি পূর্ববর্তী নবীদের সাথে জামে নামাজে ইমামতি করেন। কুরআনে বর্ণিত এই ঘটনাকে ‘ইসরা’ নামে উল্লেখ করা হয়।

এরপর তিনি ‘বুরাক’ নামক বিশেষ বাহনে আরোহন করে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন, যা ‘মেরাজ’ নামে পরিচিত। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.)। এ সময় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সিদরাতুল মুনতাহা, বেহেশতের নদীসমূহ, ফেরেশতাদের ইবাদতখানা বায়তুল মা’মুরসহ বিভিন্ন আধ্যাত্মিক নিদর্শন পরিদর্শন করেন এবং মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন।

এই পবিত্র রাতে মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজ নিজ ঘরে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আযগার, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা কামনা করেন। বিশেষভাবে এই রাতের ইবাদত মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, ধার্মিকতা ও আল্লাহর প্রতি ভক্তি বৃদ্ধি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে গণ্য করা হয়।

শবে মেরাজের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য ইসলামি শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে, যা নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে মুসলিম সমাজে আজও স্মরণ ও পালিত হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026