1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
খেলাধুলার মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি করতে চায় সরকার: শিক্ষামন্ত্রী মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, নজরদারিতে চালু হলো এআই প্রযুক্তি পাঁচ মাসে আড়াই শতাধিক অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পাঁচ মাসে আড়াই শতাধিক অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতার অনলাইন আবেদনের সময়সীমা বেড়েছে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভিসা বাতিল সংকট নিরসনে সরকারি উদ্যোগ ও ডেটাবেজ তৈরির নির্দেশ ভুয়া তথ্য ও ক্ষতিকর কনটেন্ট প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর ঢাকায় নামছে ২০০ বৈদ্যুতিক বাস, অর্ধেক বরাদ্দ নারী যাত্রীদের জন্য এনবিআর ভেঙে নীতি ও ব্যবস্থাপনা নামে দুটি পৃথক বিভাগ গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজস্ব সংস্কারের মাধ্যমে ঋণনির্ভরতা কাটিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে সমৃদ্ধির অঙ্গীকার অর্থমন্ত্রীর

পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৪০ বার দেখা হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক

আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ পালিত হচ্ছে। ইসলাম ধর্মে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত, নফল নামাজ ও দোয়ার মাধ্যমে পালন করবেন।

শবে মেরাজ ইসলামের ইতিহাসে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। ঐ রাতেই আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করার বিধান দেন। নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর এই নির্দেশ অনুযায়ী মানবজাতির জন্য প্রতিদিন পাঁচবার সালাত আদায়ের বিধান পৌঁছে দেন, যা ইসলামের অন্যতম মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, নবুওয়াতের দশম বছরে বা ৬২১ খ্রিষ্টাব্দে এক রাতে হযরত মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন। সেখানে তিনি পূর্ববর্তী নবীদের সাথে জামে নামাজে ইমামতি করেন। কুরআনে বর্ণিত এই ঘটনাকে ‘ইসরা’ নামে উল্লেখ করা হয়।

এরপর তিনি ‘বুরাক’ নামক বিশেষ বাহনে আরোহন করে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন, যা ‘মেরাজ’ নামে পরিচিত। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.)। এ সময় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সিদরাতুল মুনতাহা, বেহেশতের নদীসমূহ, ফেরেশতাদের ইবাদতখানা বায়তুল মা’মুরসহ বিভিন্ন আধ্যাত্মিক নিদর্শন পরিদর্শন করেন এবং মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন।

এই পবিত্র রাতে মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজ নিজ ঘরে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আযগার, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা কামনা করেন। বিশেষভাবে এই রাতের ইবাদত মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, ধার্মিকতা ও আল্লাহর প্রতি ভক্তি বৃদ্ধি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে গণ্য করা হয়।

শবে মেরাজের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য ইসলামি শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে, যা নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে মুসলিম সমাজে আজও স্মরণ ও পালিত হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026