1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আগামী পাঁচ বছরে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা চট্টগ্রামকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের মেগা পরিকল্পনা ঢালাও আসামি ও নানা অসংগতি: ঝুলে আছে জুলাই আন্দোলনের অধিকাংশ মামলার তদন্ত মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের নকআউট পর্বের ম্যাচ নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে লালমনিরহাটে যৌতুকবিহীন ৭ জুটির গণবিয়ে সম্পন্ন, এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু আগামী আগস্ট মাসজুড়ে অনলাইনে নেওয়া হবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আবেদন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মানবিকতা: ভূমিকম্পে পা হারানো ভেনেজুয়েলার শিশুকে জার্সি ও ভিডিও বার্তা প্রেরণ আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষকৃত্য: পাঁচ হাজারেরও বেশি স্কুল উন্মুক্ত করল ইরান বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

গাজার প্রশাসনিক ক্ষমতা ত্যাগ করতে হামাস প্রস্তুত, কিন্তু ইসরাইলি হামলা অব্যাহত

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৫ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গাজা: ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ঘোষণা করেছে, তারা গাজার সরকারি প্রশাসন থেকে সরে গিয়ে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে যেতে প্রস্তুত। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য এবং গাজার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাসেম নাঈম শনিবার (১০ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনের পর যুদ্ধবিরতি একটি আন্তর্জাতিক পরিকল্পনার আওতায় কার্যকর হবে।

নাঈম বলেন, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও ইসরাইলি বাহিনী হামলা চালাচ্ছে, যার ফলে শতাধিক ফিলিস্তিনি হতাহত হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি ছাড়া সম্ভব নয়। তবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু পক্ষ থেকে এই সময়ের মধ্যে কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।

স্থানীয় সময় শনিবার নেতানিয়াহু বাহিনী গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। নুসেইরাত ও বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে আবাসিক ভবনগুলোতে ক্ষতি হয় এবং শিশুসহ কয়েকজন হতাহত হন। রাফাহ, আল-মাওয়াসি ও গাজা সিটির আসকুলা এলাকায়ও আক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলা কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই চালানো হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, গাজা থেকে রকেট নিক্ষেপের ব্যর্থ চেষ্টার পর এসব হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।

মানবিক পরিস্থিতিও ক্রমশ গুরুতর আকার ধারণ করছে। তীব্র শীত এবং ত্রাণ প্রবেশে বাধার কারণে দেইর আল-বালাহ এলাকায় গত সাত দিনে এক নবজাতক মারা গেছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য ও সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় তাঁবু ও নির্মাণ সামগ্রী ঢুকতে না দেওয়ায় মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ আশ্রয়ে বসবাস করছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৮০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। চলমান সংঘর্ষের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৭১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন।

হামাসের যুদ্ধবিরতি গ্রহণের প্রস্তাবকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে, তবে বাস্তবায়নে ইসরাইলি বাহিনীর হামলা থামছে না। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মানবিক সাহায্য পৌঁছাতে ব্যাহত করছে এবং গাজার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

গাজায় চলমান সংঘাত, ত্রাণ সংকট এবং ধ্বংসস্তূপের কারণে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও পুনর্গঠনে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পর্যবেক্ষণ ও মধ্যস্থতা ছাড়া, যুদ্ধবিরতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে উঠছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026