জাতীয় ডেস্ক
আজ (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেবেন। সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর জন্য আজকের কার্যসূচিতে ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয় থেকে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী এবং জবাবদিহিমূলক করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের উত্তর প্রদান করলে সংসদীয় কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সংসদে নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বুধবার সংসদের মুলতবি অধিবেশনে এক সংসদ সদস্য প্রস্তাবটি উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবে বলা হয়, সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিন—বিশেষত বুধবার—প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ রাখলে সংসদীয় কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর হবে।
সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ প্রস্তাবটি রেফার করার নির্দেশ দেন এবং জানান, পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের অনেক সদস্য এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি অংশগ্রহণ সংসদের প্রাণচাঞ্চল্য বৃদ্ধি করবে এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিতভাবে এই ধরনের প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজন সংসদীয় সংস্কৃতিকে আরও জবাবদিহিমূলক ও গণমুখী করতে সহায়ক হতে পারে।
এ ধরনের উদ্যোগ পূর্ববর্তী অধিবেশনে নিয়মিত প্রশ্নোত্তর পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও কর্মসূচি সম্পর্কে সরাসরি ব্যাখ্যা পাওয়া সম্ভব হবে, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করবে।
সংসদ সচিবালয়ের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, এটি শুধু সংসদের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করবে না, বরং সরকারের নীতি ও পরিকল্পনা জনগণের কাছে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরার সুযোগও তৈরি করবে।