1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাসুমা বেগমের প্রার্থিতা ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-৮ আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাসুমা বেগমের প্রার্থিতা ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। তিনি নিহত শরিফ ওসমান হাদির বোন। এর আগে শরিফ ওসমান হাদি ওই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে দুর্বৃত্তের গুলিতে তার মৃত্যু হওয়ায় পরিবার ও সমর্থকদের পক্ষ থেকে তার বোনকে প্রার্থী হিসেবে সামনে আনা হয়।

সমাবেশে জানানো হয়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে মাসুমা বেগম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। একই সঙ্গে সমাবেশ থেকে কয়েকটি দাবিও উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—শাহবাগ এলাকায় শরিফ ওসমান হাদির নামে একটি স্থাপনা নির্মাণ এবং তার প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় আনা। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব দাবি নিহতের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে উত্থাপন করা হয়েছে।

শাহবাগ মোড়ে অনুষ্ঠিত ওই কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস এম শাহরিয়ার কবীর। তিনি তার বক্তব্যে শরিফ ওসমান হাদির রাজনৈতিক ও সামাজিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন এবং তার মৃত্যু নিয়ে তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি সাম্প্রতিক বিভিন্ন সহিংস ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে নাগরিক সমাজের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে সমাবেশে দেওয়া এসব বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শরিফ ওসমান হাদি রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত একটি নাম ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় ওই এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের মতে, তার রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই মাসুমা বেগমকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন এলাকায় ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে। এসব ঘটনায় সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডসহ পরবর্তী সহিংস ঘটনার বিষয়ে পৃথকভাবে তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা-৮ আসনটি রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন হিসেবে বিবেচিত। এই আসনে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা যায়। নতুন করে মাসুমা বেগমের প্রার্থিতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার পরই প্রার্থিতা সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, একটি সহিংস ঘটনার প্রেক্ষাপটে কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন ঘোষণার বিষয়টি নির্বাচনী পরিবেশে বাড়তি গুরুত্ব পায়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026