1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হলেও জনপ্রত্যাশা পূরণে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উদ্যোগ, তৈরি হচ্ছে নতুন ওয়্যারহাউস তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ পানিসম্পদমন্ত্রীর ট্রেড লাইসেন্সে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ডিএসসিসির: কর্মকর্তা বরখাস্ত, কারণ দর্শানোর নোটিশ বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল চূড়ান্তের পথে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর বসুন্ধরায় মডেল রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার ব্যক্তি-বন্দনার সংস্কৃতি পরিহার করে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নতুন পরিচয়ে ‘সার্কেল’ নামে যাত্রা শুরু করল এয়ারটেল

বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উদ্যোগ, তৈরি হচ্ছে নতুন ওয়্যারহাউস

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাস ও ব্যবস্থাপনায় গতি আনতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের দীর্ঘদিনের সক্ষমতা সংকট কাটাতে স্থায়ী ও অস্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণ এবং ওষুধসহ সংবেদনশীল পণ্য সংরক্ষণে আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব কৌশলগত প্রস্তাব ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। সভায় বিমানবন্দরগুলোতে কার্গো জট হ্রাস, আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং দীর্ঘদিনের কারিগরি ও অবকাঠামোগত সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী জানান, প্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ কেবল অনুসারী না হয়ে নেতৃত্বের অবস্থানে পৌঁছাতে চায়। দ্রুত কার্গো খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন দেশের সামগ্রিক অ্যাভিয়েশন খাতে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের কাজ চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সকল আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত ও সহজ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বিমানবন্দরের প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব ও কাঠামোগত বিষয়গুলো স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, বিমানবন্দরের সার্বিক অবকাঠামো তৈরি ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের। অন্যদিকে কাস্টমসের প্রাথমিক দায়িত্ব আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের বৈধতা যাচাই, প্রয়োজনীয় ঘোষণা ও নথিপত্র পরীক্ষা এবং শুল্কসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা। ওয়্যারহাউস নির্মাণ বা অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কাস্টমসের প্রত্যক্ষ কাজ নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো প্রস্তুত করে দিলে কাস্টমস সেখানে নির্বিঘ্নে তাদের অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ওয়্যারহাউস ও হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাপনা সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত না হলেও দেশের সামগ্রিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধির সঙ্গে বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে রপ্তানি সম্প্রসারণ ও সাপ্লাই চেইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক কার্গো ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। এই বাস্তবতায় বিমানবন্দরকেন্দ্রিক যেকোনো সংকট নিরসনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত ও প্রশাসনিক সহযোগিতা দেবে।
বৈঠকে কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়ানোর রূপরেখা হিসেবে একটি অস্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণের জন্য সাতটি এবং স্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণের জন্য চারটি সম্ভাব্য স্থান নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও তাপমাত্রা-সংবেদনশীল সামগ্রী আমদানি-রপ্তানি নির্বিঘ্ন করতে আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো দ্রুত বাস্তবায়ন এবং একটি সমন্বিত গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং নির্দেশিকা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ ছাড়া আমদানিকৃত পণ্যের আগমনী নোটিশ দ্রুত আমদানিকারকের কাছে পৌঁছানো এবং বিমানবন্দরে স্তূপীকৃত পণ্যের অবস্থান দ্রুত শনাক্ত ও ট্রেস করার জন্য একটি স্বয়ংক্রিয় এআইভিত্তিক মডেল চালুর প্রস্তাব গৃহীত হয়। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কার্গো ছাড়করণ প্রক্রিয়ায় ব্যয় ও সময় উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে, যা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়নে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।
সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026