1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

ভারত সীমান্তে যুবক আটক, ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তের বাউতলা এলাকা থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) এক বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে। আটক যুবকের নাম মুন্না মিয়া (২০), তিনি বাউতলা এলাকার শাহ আলম মিয়ার ছেলে।

মুন্না মিয়া স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি মাঝে মাঝে অটোরিকশা চালান এবং প্রধানত বেকার ছিলেন। বুধবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সীমান্তবর্তী ভারতের এক বাসিন্দা তাদের জানায় যে, বিএসএফ মুন্না মিয়াকে ধরে নিয়ে গেছে। বিষয়টি মুন্নার বাবা শাহ আলম মিয়া আগরতলায় থাকা এক আত্মীয়কে জানান। সেই আত্মীয়রা বিএসএফ ক্যাম্পে গিয়ে তাকে দেখতে পান এবং তাকে মুক্ত করার চেষ্টা শুরু করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৬০ ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জিয়াউর রহমান জানান, মুন্না মিয়া চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি অবৈধভাবে ভারতের সীমান্তে প্রবেশ করেছিলেন। তখন টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাকে আটক করেন। বর্তমানে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলছে এবং বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয় সীমান্ত প্রশাসন এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়, মুন্না মিয়ার পরিবারের উদ্বেগ ও নিরাপত্তার কারণে সীমান্তবর্তী এলাকা জোরদার নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বিষয়টি দুই দেশের সীমান্ত সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেছে।

বাউতলা সীমান্তের ভারতীয় অংশে গত কিছু বছর ধরে একাধিক সময় সাধারণ নাগরিক ও স্থানীয় যুবকদের অবৈধ সীমান্ত পারাপারের চেষ্টা ও আটক হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা প্রশাসন এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নিয়মিত সতর্কতা অবলম্বন করছে।

মুন্না মিয়ার পরিবার এবং স্থানীয় নেতারা সীমান্তের নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও আটক ব্যক্তিদের দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। এই ঘটনায় দুই দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সহযোগিতা এবং আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে আরও সচেতনতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com