1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা ববি দীর্ঘ আট বছরের বিরতি ভেঙে মোস্তফা কামাল রাজের নির্দেশনায় ফিরলেন জাহিদ হাসান ওটিটিতে ফিরছেন আরিফিন শুভ, বিপরীতে কেয়া পায়েল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকে সরে এসে ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ও গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্যের ডাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আবাসন ও নগর উন্নয়নে মার্কিন সহায়তা প্রত্যাশা গৃহায়ণ মন্ত্রীর খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি: বিএফইউজে নেতাদের নিন্দা, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার নতুন কেন্দ্রবিন্দুতে বাংলাদেশ: আসছে ‘গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ’ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সঠিক তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনার উদ্বেগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক

প্রযুক্তির অতি-নির্ভরতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত মার্কিন পপ তারকা ম্যাডোনা। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং অ্যালগরিদমের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা শিল্পের মৌলিক সৃজনশীলতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সমসাময়িক বিনোদন শিল্পে প্রকৃত প্রতিভার চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীর সংখ্যা বা তথাকথিত ‘ফলোয়ার কাউন্ট’ বেশি গুরুত্ব পাওয়ায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ম্যাডোনা মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অ্যালগরিদমের ব্যবহার মূলত শিল্পকর্ম সৃষ্টির মূল দর্শনের পরিপন্থী। প্রকৃত শিল্প সৃষ্টির জন্য যে ধরনের ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা এবং নতুন কিছু করার সাহসের প্রয়োজন হয়, এআই-নির্ভর সংস্কৃতি মানুষকে সেই ধারা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে শিল্পীরা নতুন কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে কেবল নির্ধারিত ছক অনুসরণ করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে বিনোদন জগতের জন্য হুমকিস্বরূপ।

বর্তমান বৈশ্বিক বিনোদন শিল্পের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ম্যাডোনা অতীতের কর্মপরিবেশের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, একসময় চিত্রশিল্পী, সংগীতশিল্পী এবং নৃত্যশিল্পীরা সম্মিলিতভাবে কাজ করতেন এবং একে অপরকে সৃজনশীলভাবে অনুপ্রাণিত করতেন। তবে বর্তমান সময়ে বাণিজ্যিক চুক্তি, নতুন কাজের সুযোগ কিংবা রেকর্ড লেবেলের চুক্তিগুলো শিল্পীর যোগ্যতার চেয়ে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হচ্ছে। এই সংখ্যাভিত্তিক প্রতিযোগিতাকে তিনি শিল্পের জন্য ক্ষতিকর বলে আখ্যায়িত করেন।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর অভিজ্ঞতা অংশীদার করে এই কিংবদন্তি শিল্পী জানান, তিনি কখনো বাণিজ্যিক চার্ট, স্ট্রিমিং পরিসংখ্যান বা সংখ্যার হিসাব নিয়ে ভাবেননি। নিজের সৃজনশীলতা বজায় রাখতে তিনি নতুন গান তৈরির সময় যেকোনো ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি থেকে সচেতনভাবে নিজেকে দূরে রাখেন। তার মতে, মানসম্পন্ন শিল্প সৃষ্টির জন্য মানসিক স্থিরতা এবং নির্জনতা অত্যন্ত জরুরি। মানুষের কল্পনাশক্তিকে উজ্জীবিত করতে প্রকৃতির সান্নিধ্য এবং যান্ত্রিক জীবন থেকে বিরতি নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

উল্লেখ্য, প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে ম্যাডোনা এর আগেও একাধিকবার বিশ্বমঞ্চে কথা বলেছেন। ইতিপূর্বে নিজের একটি চলচ্চিত্র প্রিমিয়ারে তিনি ভক্তদের ভার্চুয়াল জগৎ থেকে বের হয়ে বাস্তব জীবনে পারস্পরিক সংযোগ স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিনোদন বিশেষজ্ঞদের মতে, ম্যাডোনার এই বক্তব্য বর্তমান বিশ্ব বিনোদন মাধ্যমে প্রযুক্তির একচেটিয়া আধিপত্য এবং এর ফলে সৃষ্ট সাংস্কৃতিক সংকটের বাস্তব চিত্রকে পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026