1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করার তাগিদ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগামীকাল ব্যাংক হলিডে: বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান মোহাম্মদ আকবারজাদেহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন চালু হাছান মাহমুদ ও নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু মেক্সিকো ম্যাচের আগে ভ্রমণ ক্লান্তি ও পরিসংখ্যানকে গুরুত্ব দিচ্ছে না ইকুয়েডর এইচএসসি পরীক্ষা: রাজধানীর কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনার উদ্বেগ চট্টগ্রামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনার উদ্বেগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক

প্রযুক্তির অতি-নির্ভরতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত মার্কিন পপ তারকা ম্যাডোনা। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং অ্যালগরিদমের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা শিল্পের মৌলিক সৃজনশীলতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সমসাময়িক বিনোদন শিল্পে প্রকৃত প্রতিভার চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীর সংখ্যা বা তথাকথিত ‘ফলোয়ার কাউন্ট’ বেশি গুরুত্ব পাওয়ায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ম্যাডোনা মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অ্যালগরিদমের ব্যবহার মূলত শিল্পকর্ম সৃষ্টির মূল দর্শনের পরিপন্থী। প্রকৃত শিল্প সৃষ্টির জন্য যে ধরনের ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা এবং নতুন কিছু করার সাহসের প্রয়োজন হয়, এআই-নির্ভর সংস্কৃতি মানুষকে সেই ধারা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে শিল্পীরা নতুন কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে কেবল নির্ধারিত ছক অনুসরণ করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে বিনোদন জগতের জন্য হুমকিস্বরূপ।

বর্তমান বৈশ্বিক বিনোদন শিল্পের রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ম্যাডোনা অতীতের কর্মপরিবেশের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, একসময় চিত্রশিল্পী, সংগীতশিল্পী এবং নৃত্যশিল্পীরা সম্মিলিতভাবে কাজ করতেন এবং একে অপরকে সৃজনশীলভাবে অনুপ্রাণিত করতেন। তবে বর্তমান সময়ে বাণিজ্যিক চুক্তি, নতুন কাজের সুযোগ কিংবা রেকর্ড লেবেলের চুক্তিগুলো শিল্পীর যোগ্যতার চেয়ে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হচ্ছে। এই সংখ্যাভিত্তিক প্রতিযোগিতাকে তিনি শিল্পের জন্য ক্ষতিকর বলে আখ্যায়িত করেন।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর অভিজ্ঞতা অংশীদার করে এই কিংবদন্তি শিল্পী জানান, তিনি কখনো বাণিজ্যিক চার্ট, স্ট্রিমিং পরিসংখ্যান বা সংখ্যার হিসাব নিয়ে ভাবেননি। নিজের সৃজনশীলতা বজায় রাখতে তিনি নতুন গান তৈরির সময় যেকোনো ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি থেকে সচেতনভাবে নিজেকে দূরে রাখেন। তার মতে, মানসম্পন্ন শিল্প সৃষ্টির জন্য মানসিক স্থিরতা এবং নির্জনতা অত্যন্ত জরুরি। মানুষের কল্পনাশক্তিকে উজ্জীবিত করতে প্রকৃতির সান্নিধ্য এবং যান্ত্রিক জীবন থেকে বিরতি নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

উল্লেখ্য, প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে ম্যাডোনা এর আগেও একাধিকবার বিশ্বমঞ্চে কথা বলেছেন। ইতিপূর্বে নিজের একটি চলচ্চিত্র প্রিমিয়ারে তিনি ভক্তদের ভার্চুয়াল জগৎ থেকে বের হয়ে বাস্তব জীবনে পারস্পরিক সংযোগ স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিনোদন বিশেষজ্ঞদের মতে, ম্যাডোনার এই বক্তব্য বর্তমান বিশ্ব বিনোদন মাধ্যমে প্রযুক্তির একচেটিয়া আধিপত্য এবং এর ফলে সৃষ্ট সাংস্কৃতিক সংকটের বাস্তব চিত্রকে পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026