1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মন্ত্রী লিফটে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে শৃঙ্খলা প্রদর্শন করলেন ইসরাইলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনের নিন্দা করেছে বহুজাতিক দেশসমূহ বাহরাইনে ড্রোন হামলায় অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা ব্যাহত, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিয়মিত অফিস করায় প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শনিবার এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে কেন্দ্র সচিবদের জরুরি নির্দেশনা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল টিকিটের দাম সর্বোচ্চ ১০,৯৯০ ডলার নির্ধারণ ফাইনাল টিকিট ১০ হাজার ডলারের বেশি, বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ডায়নামিক প্রাইসিং শুরু শেখ হাসিনার পক্ষে চিঠি প্রাপ্তির কোনো তথ্য নেই: চিফ প্রসিকিউটর স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, নড়াইলের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী উপকৃত হবেন

নির্বাচন অফিস ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা জোরদারে ইসির নির্দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে

 

জাতীয় ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং দেশের সব নির্বাচন অফিসের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন পরিচালনা শাখা থেকে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল ঘোষণার পরপরই ঢাকায় একজন সম্ভাব্য প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা এবং লক্ষ্মীপুর ও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় নির্বাচন অফিসে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটে। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও দপ্তরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে উদ্যোগ নেয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, চার নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবের পুলিশ এসকর্ট বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জন্য গানম্যান নিয়োগ এবং অন্যান্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সারাদেশে মোট ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং পাঁচ শতাধিক সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকবেন। এসব কর্মকর্তার নিরাপত্তা পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, জেলা প্রশাসকদের স্থানীয়ভাবে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে তারা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। তবে সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, তিনজন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবের বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের কাছেও পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বিধান জরুরি হয়ে পড়েছে।

দেশব্যাপী নির্বাচন অফিসগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, তফসিল ঘোষণার পর লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিস এবং পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নির্বাচন অফিসগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশের সব আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, জেলা নির্বাচন অফিস এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও নির্বাচনি সরঞ্জাম সংরক্ষিত থাকে। এসব দপ্তর এবং সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, সাম্প্রতিক হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি ও দপ্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে নির্বাচনী কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026