1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চীনের বিনিয়োগে বাংলাদেশের ক্রীড়া খাত আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা দম বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ভিজুয়াল নন্দনের নতুন দিগন্ত ইতালি বিশ্বকাপ থেকে বাদ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ইতিহাসে ফিরল তুরস্ক ২৪ বছর পর ফিরল বিশ্বকাপে সুইডেন ঘরের মাঠে পোল্যান্ডকে হারিয়ে নিশ্চিত করল বিশ্বকাপ যাত্রা ইরান যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়, চায় মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং ৭ এপ্রিল, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ইরানের হামলা সক্ষমতা থাকলেও অস্তিত্বগত হুমকি নয়: নেতানিয়াহু রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্তে আজ থেকে ডিএমপির অভিযান শুরু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধে পুতিন–বিন জায়েদের ফোনালাপ, কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর

বাংলাদেশ ব্যাংকে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনে ১২ প্রতিষ্ঠানের আবেদন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০২ বার দেখা হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের অনুমোদন পেতে দেশি ও বিদেশি মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন জমা দিয়েছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান–ডি কে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক–২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট–রবি, প্রস্তাবিত আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক–ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক (বাংলালিংক ও স্কয়ার), মৈত্রি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারি ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক (আকিজ) এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, আর্থিক খাতে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি কাজে লাগিয়ে ব্যাংকিং খাতে দক্ষতা বৃদ্ধি ও সেবার পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে চালু হচ্ছে ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থা। এই ব্যাংকগুলো কোনো শাখা, উপশাখা বা এটিএম বুথ ছাড়াই সম্পূর্ণ অনলাইন ও মোবাইল অ্যাপভিত্তিক সেবা প্রদান করবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, একটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম ৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই), প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত জনগণের কাছে সহজলভ্য ও স্বল্পমূল্যের আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন ডিজিটাল ব্যাংক নীতিমালা অনুমোদন করে। প্রাথমিকভাবে মূলধনের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২৫ কোটি টাকা, তবে পরে তা সংশোধন করে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়। তুলনামূলকভাবে, প্রচলিত বাণিজ্যিক ব্যাংক স্থাপনে ন্যূনতম মূলধন প্রয়োজন ৫০০ কোটি টাকা।

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদান করা হবে ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, আর পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে ২০১৪ সালের ‘বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশন’-এর আওতায়।

গত ২৬ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য আবেদন আহ্বান করে। শুরুতে আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তবে আবেদনপত্র প্রস্তুত ও প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সংযোজনের সময় বিবেচনা করে তা বাড়িয়ে ২ নভেম্বর বিকেল ৬টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হতে পারে, যাতে দেশের আর্থিক খাতে ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও প্রভাব মূল্যায়ন করা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল ব্যাংক চালু হলে ব্যাংকিং খাতে ব্যয় কমবে, সেবা হবে দ্রুত ও কার্যকর, এবং গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। তবে সাইবার নিরাপত্তা, তথ্য সুরক্ষা ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি এ খাতের সফল বাস্তবায়নের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026