1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানোর আপিল শুনানি টানা ৬ষ্ঠ দিনে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৭ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

রোববার (২ নভেম্বর) সকাল ৯:২০ মিনিট থেকে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরানোর আপিলের টানা ষষ্ঠ দিনের শুনানি শুরু হয়।

আদালতে বিএনপির পক্ষে শুনানি করছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, আর রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত আছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে গত ২১ অক্টোবর থেকে টানা পাঁচ দিন এই আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুনানির বিভিন্ন দিনে জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি এবং অন্যান্য পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করেছেন।

এই আপিলের ভিত্তি হলো ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংযুক্ত নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। ১৯৯৮ সালে তিনজন আইনজীবী এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে।

এরপর ২০০৫ সালে রিট আবেদনকারীরা আপিল করেন। ২০১১ সালের ১০ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে। ঘোষিত রায়ের পর ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনী আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়।

রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক নেতারা পরে আবেদন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:

  • সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি
  • বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  • জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার
  • বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন

এ আপিলের ফলাফল বাংলাদেশের নির্বাচনকালীন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026