1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের ৪৩ জেলায় ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নতুন মুখপাত্র নিযুক্ত জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ বিএনপি সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দ্বিচারিতার অভিযোগ স্বতন্ত্র এমপির ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে নতুন করে উদ্বেগ গণভোটের ফলাফল ও রাষ্ট্র সংস্কার অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আজ ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মতবিনিময় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু, ২০২৬ সালের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ১২২ বার দেখা হয়েছে

‘ডিজিটাল রিপোর্ট

 

আমি খালেদা জিয়া বলছি’—এমনভাবে বিএনপি চেয়ারপারসনের কণ্ঠ নকল করে ১১ মাসে ২৬ কোটির বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মো. মোতাল্লেছ হোসেন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) তদন্তে উঠে এসেছে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য। তবে অভিযুক্ত মোতাল্লেছ এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
বিএফআইইউর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর থেকে মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে রাজধানীর গুলশান এলাকার সিটি ব্যাংক শাখায় মোতাল্লেছের নামে জমা হয় প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। হঠাৎ এত বিপুল পরিমাণ লেনদেন নজরে এলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে তার তথ্য চাওয়া হয়। এরপরই শুরু হয় তদন্ত।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, মোতাল্লেছ হোসেন ও তার প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৯টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। সাতটি হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মোট ২৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। কেবল তিন মাসেই জমা হয় ১১ কোটি ১১ লাখ টাকা। অথচ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তার আয়কর রিটার্নে সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছিল মাত্র ৩৪ লাখ টাকা। এত অর্থ কীভাবে এল, তার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।

বিএফআইইউর অনুসন্ধান বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন মোতাল্লেছ ও তার সহযোগীরা। এই অভিনব প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ জমা হয় বিভিন্ন হিসাবে। তদন্তের শুরু থেকেই তিনি পলাতক।

অভিযুক্ত মোতাল্লেছ হোসেন ঢাকার একটি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের (অকো-টেক্স লিমিটেড) পরিচালক। তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক হিসাবে নমিনি হিসেবে আছেন মোতাল্লেছের ভাই (কাজিন) পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাইয়ুমুজ্জামান, যিনি বর্তমানে নৌ পুলিশে কর্মরত।

এ বিষয়ে মোতাল্লেছ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভুয়া, বানোয়াট ও মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক আইন কর্মকর্তা ও বিএফআইইউয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এই হয়রানির পেছনে আছেন।’

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026