1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ রুখতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল, ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দালিচ ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পর্তুগাল, রোনালদোর ম্যাচসেরা হওয়া নিয়ে বিতর্ক বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল আলজেরিয়া ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় মার্কিন পাইলটকে গুলি করে হত্যা, বিমান অগ্নিদগ্ধ লস অ্যাঞ্জেলেসে নাইট রাইডার্স গ্রুপের বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের প্রস্তুতি সম্পন্ন: যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান

অর্থবছর ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৭-২৮ সরকার ঋণ নেবে সাড়ে ৮ লাখ কোটি টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৮৮ বার দেখা হয়েছে

বাজেট সহায়তা হিসাবে আগামী তিন অর্থবছরে (২০২৫-২৬ থেকে ২০২৭-২৮) ব্যাংক খাতসহ দেশি-বিদেশি উৎস থেকে প্রায় সাড়ে আট লাখ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার। এরমধ্যে সঞ্চয়পত্র খাত থেকে আইএমএফের শর্ত ভেঙে বেশি ঋণ করা হচ্ছে। এই দাতা সংস্থার শর্ত ছিল প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ কমানোর। মূলত প্রতিবছর বাজেট ঘাটতি কমিয়ে আনার যে শর্ত ছিল আইএমএফের, সেটিও সম্ভব হচ্ছে না। যে কারণে সার্বিক ঋণ ব্যবস্থাপনা নষ্ট হচ্ছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সরকারের অর্থনৈতিক কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। সেখানে দেশি-বিদেশি ঋণ নেওয়ার রূপরেখার অনুমোদন দেওয়া হয়। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

অবশ্য চলতিসহ বিগত তিন (২০২২-২৩ থেকে ২০২৪-২৫) অর্থবছরে সরকার ঋণ গ্রহণ করেছে পৌনে ৬ লাখ কোটি টাকা। অর্থনীতিবিদদের মতে, ঋণ গ্রহণের পর এর ব্যবহার কোন খাতে হবে সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এখন ঋণসীমা ঝুঁকিমুক্ত অবস্থার মধ্যে আছে।

প্রতিবছর বাজেটের ব্যয় বেশি থাকে এবং রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা কম হয়। ফলে ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারকে দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে ঋণ করতে হয়। আর দেশি ঋণের উৎস হচ্ছে ব্যাংক এবং সঞ্চয়পত্র খাত।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026