1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের ৪৩ জেলায় ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নতুন মুখপাত্র নিযুক্ত জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ বিএনপি সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দ্বিচারিতার অভিযোগ স্বতন্ত্র এমপির ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে নতুন করে উদ্বেগ গণভোটের ফলাফল ও রাষ্ট্র সংস্কার অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আজ ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মতবিনিময় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু, ২০২৬ সালের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের ১০ সদস্য গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪
  • ১৫১ বার দেখা হয়েছে

 

 

ডিজিটাল ডেস্ক

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এসময় বিপুল পরিমাণ টিকিট জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ জুন) বিকালে র‍্যাব-৩ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাতে রাজধানীর কমলাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সোহেল রানা, মো. মাহবুবুর রহমান, মো. বকুল হোসেন, মো. শিপন আহমেদ, মো. আরিফ, শাহাদাত হোসেন, মো. মনির, শিপন চন্দ্র দাস, মনির আহমেদ এবং মো. রাজা মোল্লা।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ট্রেনের বিপুল পরিমাণ টিকিট। দেশব্যাপী ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রটি সংঘবদ্ধভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় সব ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি করে আসছিল। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ টিকিট বুকিংয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়ে টিকিট কালোবাজারি করে আসছে। বিশেষ করে ঈদ, পূজা, সাপ্তাহিক ছুটিসহ বিশেষ ছুটির দিনকে উপলক্ষ করে ওই ব্যক্তিরা বিভিন্ন কারসাজির মাধ্যমে সাধারণ সময়ের তুলনায় অধিক সংখ্যক টিকিট সংগ্রহ করত।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, টিকিট বিক্রির টাকা সিন্ডিকেটের হোতাসহ সহযোগীদের মাঝে ভাগাভাগি হতো। এই অর্থ কখনো তারা নগদ হাতে-হাতে বুঝিয়ে দিতেন, আবার কখনো মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতেন। সিন্ডিকেটের প্রত্যেক সদস্য অবৈধভাবে ট্রেনের টিকিট বিক্রি করে প্রতি মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা উপার্জন করতেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026