1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মন্ত্রী লিফটে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে শৃঙ্খলা প্রদর্শন করলেন ইসরাইলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনের নিন্দা করেছে বহুজাতিক দেশসমূহ বাহরাইনে ড্রোন হামলায় অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা ব্যাহত, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিয়মিত অফিস করায় প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শনিবার এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে কেন্দ্র সচিবদের জরুরি নির্দেশনা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল টিকিটের দাম সর্বোচ্চ ১০,৯৯০ ডলার নির্ধারণ ফাইনাল টিকিট ১০ হাজার ডলারের বেশি, বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ডায়নামিক প্রাইসিং শুরু শেখ হাসিনার পক্ষে চিঠি প্রাপ্তির কোনো তথ্য নেই: চিফ প্রসিকিউটর স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, নড়াইলের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী উপকৃত হবেন

ডলার সংকট কাটছে না, চাপ বেড়েছে ব্যবসায়

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ১৭৬ বার দেখা হয়েছে

ভাঙা পাথর আমদানির জন্য বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংকে এলসি খুলেছিল ইনফ্রাটেক কনস্ট্রাকশন। এলসি খোলার সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনামতো গ্রাহকের কাছ থেকে শতভাগ নগদ মার্জিন হিসেবে দুই কোটি টাকা জমা নেয় ব্যাংক। তা নেওয়া হয় ব্যাংকেরই দেওয়া ঋণের টাকা থেকে। পণ্য দেশে আসার আগেই গত ফেব্রুয়ারিতে এলসি মার্জিনের পুরো টাকা তুলে নেওয়ার সুযোগ দেয় ব্যাংক। ব্যাংকের সঙ্গে ভালো সম্পর্কের সুবাদে ইনফ্রাটেকের মতো অনেক কোম্পানিই নানা কৌশলে আমদানি করছে বিলাসী পণ্য। অন্য সব পণ্যের চেয়ে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানি কমছে বেশি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকগুলোর সহজে ব্যবসা আসে বিলাসী ও প্রস্তুত করা পণ্যের মতো ট্রেডিং খাত থেকে। এসব খাতের ব্যবসায়ীরা তুলনামূলকভাবে সমাজের প্রভাবশালী এবং ব্যাংকের মালিকপক্ষের সঙ্গে বেশি সম্পৃক্ত। আবার উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাব গাড়ি, টিভি, ফ্রিজের মতো ক্রেতাদের ওপর কম। ফলে এসব পণ্যের আমদানি কমানো যায়নি। আবার ডলার বাজার নিয়ন্ত্রণে অর্থ পাচার ও হুন্ডি ঠেকানোর চেয়ে অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকের ওপর বিভিন্ন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিলেও তেমন সুফল মেলেনি। অনেক ক্ষেত্রে সংকট বেড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমে এখন ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যস্থতায় আমদানিতে ডলারের দর ১১০ টাকা ঠিক করা হলেও ব্যবসায়ীদের কিনতে হচ্ছে ১২৩ থেকে ১২৪ টাকায়। বাড়তি টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে নানা অনৈতিক উপায়ে। সব মিলিয়ে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

ব্যবসা-বাণিজ্য ছাড়াও চিকিৎসা, শিক্ষা, ভ্রমণসহ বিভিন্ন কাজে দেশের বাইরে যাওয়ার সময় অনেকে ডলার পাচ্ছেন না। আবার হাতে থাকা কিংবা প্রবাসীদের ধরে রাখা ডলার ব্যাংকে আনতে প্রবাসীর সুবিধাভোগী ও বিদেশফেরতদের ডলার জমার ওপর উচ্চ সুদ দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব ক্ষেত্রেও সাড়া নেই। এ রকম বাস্তবতায় আইএমএফের পরামর্শে আগামী দিনে ডলার বেচাকেনার নতুন পদ্ধতি ‘ক্রলিং পেগ’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ উপায়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের একটি মধ্যবর্তী দর ঠিক করবে। তার সঙ্গে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি ও হ্রাসের একটি শতাংশ নির্ধারণ করা হবে।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম খান সমকালকে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও ডলার বাজারে স্বস্তি ফেরেনি; বরং দিন দিন সংকট আরও বাড়ছে। ব্যাংকের সঙ্গে যাদের ভালো সম্পর্ক, শুধু তারাই আমদানির জন্য ডলার পাচ্ছেন। ব্যক্তি পর্যায়ে ডলার কিনতেও বেগ পেতে হচ্ছে। তিনি বলেন, কৃত্রিমভাবে ডলারের দর নির্ধারণ করে রাখায় ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে অনেক বেশি দর পাওয়া যাচ্ছে। অনেকে এখন দেশের বাইরে থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে অর্থ নিয়ে আসছেন। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, সেখানে সংস্কার দরকার। রপ্তানি ও রেমিট্যান্স কীভাবে বাড়ানো যায়, সেদিকে জোর দেওয়া দরকার।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026