1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মন্ত্রী লিফটে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে শৃঙ্খলা প্রদর্শন করলেন ইসরাইলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনের নিন্দা করেছে বহুজাতিক দেশসমূহ বাহরাইনে ড্রোন হামলায় অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা ব্যাহত, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিয়মিত অফিস করায় প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শনিবার এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে কেন্দ্র সচিবদের জরুরি নির্দেশনা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল টিকিটের দাম সর্বোচ্চ ১০,৯৯০ ডলার নির্ধারণ ফাইনাল টিকিট ১০ হাজার ডলারের বেশি, বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ডায়নামিক প্রাইসিং শুরু শেখ হাসিনার পক্ষে চিঠি প্রাপ্তির কোনো তথ্য নেই: চিফ প্রসিকিউটর স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, নড়াইলের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী উপকৃত হবেন

আমদানিকারকদের কারসাজি রোজা ঘিরে সিন্ডিকেটের কবজায় ফলের বাজার তদারকির অভাবেই এমন পরিস্থিতি-গোলাম রহমান

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ১৬৯ বার দেখা হয়েছে

ডলার সংকট, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্কারোপের কারণে ফল ও খেজুরের দাম এমনিতেই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এর মধ্যে আমদানিকারক সিন্ডিকেট রমজান ঘিরে বাড়তি মুনাফা করার ছক তৈরি করছে। আমদানি পর্যায় থেকে বাড়িয়েছে দাম। যে কারণে পাইকারি পর্যায়ে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে ফল ও খেজুর। ফলে প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। এতে পরিবারের জন্য যারা নিয়মিত ফল কিনতেন, তারা বাজারের তালিকা থেকে পুষ্টিকর এ পণ্যটি বাদ দিচ্ছেন। এছাড়া খুব প্রয়োজন হলে খরচ সমন্বয় করে একটি-দুটি করে ফল ওজন দিয়ে কিনছেন। এমন পরিস্থিতিতে বাড়তি মূল্যের কারণে ইফতারে ফল কিনে খাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন ভোক্তাসাধারণ।

বুধবার রাজধানীর পাইকারি আড়ত বাদামতলী গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ক্রাউন আপেল ১৮ কেজির বাক্স বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮০০ টাকা, যা গত বছর একই সময় দাম ছিল ৩ হাজার ৯০০ থেকে ৪ হাজার টাকা। পাইকারি আড়তে ১৮ কেজির বাক্সে মাল্টা মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৯০০ থেকে ৩ হাজার ১০০ টাকা, যা গত বছর একই সময় ২ হাজার ৩৫০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাইকারি আড়তে ১৮ কেজি ওজনের বাক্সে চায়না কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৩০০ টাকা, যা আগে ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা ছিল। পাশাপাশি রাজধানীর পাইকারি ফলের বাজার বাদামতলীর খেজুরের আড়তে পাঁচ কেজি প্যাকেটের মরিয়ম প্রিমিয়াম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, যা গত বছর একই সময় বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা। মাবরুর খেজুর প্রতি প্যাকেটে বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার টাকা, যা আগে ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বড় আকারের ম্যাডজুল খেজুরের পাঁচ কেজির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ৫০০ টাকা, যা আগে ৬ হাজার টাকা ছিল। ছয় কেজি ওজনের আজোয়া খেজুরের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার টাকা, যা গত বছর একই সময় ৬ হাজার ২০০ টাকা ছিল। দাবাস ক্রাউন খেজুরের পাঁচ কেজির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, যা গত বছর একই সময় ৩ হাজার ৪০০ টাকা ছিল।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026