1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মন্ত্রী লিফটে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে শৃঙ্খলা প্রদর্শন করলেন ইসরাইলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইনের নিন্দা করেছে বহুজাতিক দেশসমূহ বাহরাইনে ড্রোন হামলায় অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা ব্যাহত, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিয়মিত অফিস করায় প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শনিবার এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে কেন্দ্র সচিবদের জরুরি নির্দেশনা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল টিকিটের দাম সর্বোচ্চ ১০,৯৯০ ডলার নির্ধারণ ফাইনাল টিকিট ১০ হাজার ডলারের বেশি, বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ডায়নামিক প্রাইসিং শুরু শেখ হাসিনার পক্ষে চিঠি প্রাপ্তির কোনো তথ্য নেই: চিফ প্রসিকিউটর স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, নড়াইলের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী উপকৃত হবেন

সময় বাড়ানোর গুঞ্জনে রিটার্ন দাখিলে ঢিলেঢালা ভাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৬২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সময় বাড়ানোর গুঞ্জনে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ঢিলেঢালা ভাব চলছে। নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা থাকলেও শেষ সময়ে যে ভিড় থাকার কথা, সে রকম অবস্থা নেই কর অফিসগুলোতে। কর সার্কেলগুলোতে এই সময়ে অন্তত অর্ধেক পরিমাণ রিটার্ন জমা হওয়ার কথা, সে তুলনায় জমা পড়েছে এক-তৃতীংশের কিছু কম বা বেশি। প্রতিটি কর অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আগত করদাতাদের মধ্যে গুঞ্জন—রিটার্নের সময় বাড়বে, তাই করদাতার উপস্থিতি কম। গতকাল সরেজমিনে রাজধানীর সেগুনবাগিচার কয়েকটি কর অফিস ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

চলতি অর্থবছরের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে নতুন আয়কর আইন অনুযায়ী রিটার্ন জমায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা, বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সামনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের কারণে সব করদাতার পক্ষে নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা দেওয়া সম্ভব হবে না মর্মে সময় এক মাস বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ও কর আইনজীবীদের সংগঠন। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও (এনবিআর) ইতিবাচকভাবে বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। এটি হলে, শেষ মুহূর্তে ঘোষণা আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

এদিকে গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচার কর অঞ্চল-৪, কর অঞ্চল-১ ও কর অঞ্চল-২-এর কয়েকটি কর সার্কেল ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি কর অঞ্চলের সামনেই কর মেলার আদলে সীমিত পরিসরে করসেবা দেওয়া হচ্ছে। টিআইএন খোলা ও রিটার্ন দাখিলের জন্য আলাদা আলাদা বুথ স্থাপন করা হয়েছে।

করদাতাদের উপস্থিতি আছে, তবে শেষ সময় হিসেবে যে পরিমাণ ভিড় থাকার কথা, সেটা নেই। করদাতারা স্বাভাবিকভাবেই করসেবা নিতে পারছেন। পরে কর অঞ্চল-৪-এর কয়েকটি কর সার্কেল অফিসে গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন কর কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁদের তিন-চার হাজার করদাতার মধ্যে রিটার্ন দিয়েছেন মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ জন। বাকি কয়েক দিনে বাকি করদাতারা জমা দেবেন, এমনটি তাঁদের মনে হচ্ছে না। কারণ জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়তে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। সম্ভবত এ কারণেই ভিড় কম। কয়েকজন করদাতার সঙ্গেও কথা হয়। নিজেরা নির্ধারিত সময়ে দিলেও তাঁরা জানান, রিটার্ন জমার সময় বাড়তে পারে, এমন গুঞ্জন তাঁরা শুনেছেন। হয়তো এ কারণেই অনেক করদাতা অপেক্ষা করছেন

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026