1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৩.৬৫ লাখ মেট্রিক টন সার ও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লর্ডস টেস্টের স্কোয়াড থেকে ব্রাইডন কার্স বাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ফোনালাপ ও তেহরান সফর রাজধানীর কলাবাগান থানায় নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার খেলার মাঠের বাইরে ইউরোপীয় ফুটবলের করপোরেট লড়াই ও ব্র্যান্ড মূল্যের শীর্ষস্থান ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ জোরালো করার পাশাপাশি সামরিক বিকল্পও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র বায়তুল মোকাররমে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নিত্যপণ্যের উৎসে কর কমছে, স্বস্তির আশা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে চাল, ডাল, তেল ও পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় এবং মৌলিক কৃষিজাত ৬০টি পণ্যের ওপর উৎসে কর উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের বাজারে পণ্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর লক্ষ্যেই সরকার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাবিত এই আইন পাস হলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় এবং কৃষিপণ্যের সরবরাহ খরচ হ্রাস পাবে, যার ইতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়বে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট খাত সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যমান কর কাঠামো অনুযায়ী বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিপণ্যের সরবরাহ পর্যায়ে পণ্যভেদে ৫ শতাংশ, ২ শতাংশ কিংবা ১ শতাংশ হারে উৎসে কর আদায় করা হতো। নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে এই সব ধরনের করের হার একযোগে কমিয়ে মাত্র ০.৫ (দশমিক পাঁচ) শতাংশ নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। ফলে দীর্ঘ দিন ধরে আমদানি ও সরবরাহ পর্যায়ে থাকা করের বড় ব্যবধান ও জটিলতা নিরসন হবে এবং ব্যবসায়ীদের করের বোঝা অনেকাংশে লাঘব হবে।

প্রস্তাবিত এই করছাড় সুবিধার আওতায় দেশের প্রধান প্রধান খাদ্যপণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল এবং বিভিন্ন ধরনের কৃষিবীজ। এছাড়া দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাতে এবং পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের সুরক্ষায় গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও মাছের সরবরাহ পর্যায়েও এই নতুন করহার কার্যকর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে উৎপাদনকারী থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলেই খরচের পরিমাণ কমবে।

অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, উৎসে কর কমানোর এই সিদ্ধান্ত পাইকারি ও খুচরা বাজারে পণ্য সরবরাহ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে। সাধারণত সরবরাহ পর্যায়ে উচ্চ কর হার থাকলে ব্যবসায়ীরা সেই অতিরিক্ত খরচ পণ্যের মূল্যের সাথে যুক্ত করে দেন, যার চূড়ান্ত প্রভাব গিয়ে পড়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর। নতুন এই কর কাঠামোর ফলে ব্যবসায়ীদের কার্যকরি মূলধন বৃদ্ধি পাবে এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হবে। তবে সরকারের এই নীতিগত সুবিধার সুফল যেন সাধারণ ভোক্তারা সরাসরি পান, সেজন্য বাজার মনিটরিং বা তদারকি জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

বিগত কয়েক বছর ধরে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই কর হ্রাসের ফলে কৃষিভিত্তিক শিল্প ও পোল্ট্রি খাতের উদ্যোক্তারা নতুন করে বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন, যা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দীর্ঘমেয়াদে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026