1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাংলাদেশে তৃতীয় ভাষা সম্প্রসারণে ফ্রান্সের সহযোগিতা কামনা মাহদী আমিনের প্রবাসীদের নগদ প্রণোদনা অব্যাহত রাখার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর যুক্তরাজ্যের বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর উত্তর আয়ারল্যান্ডে টানা দ্বিতীয় রাতে ব্যাপক সহিংসতা চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ‘স্মৃতি অম্লান’ জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম পরিবেশ সংরক্ষণ ও পানি ব্যবস্থাপনায় সরকারের মহাপরিকল্পনা, বিশাল কর্মসংস্থান ও অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ল ৫ হাজার টাকা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ওয়ালেট’ চালুর উদ্যোগ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করল সরকার সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন, আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রান্তিক খামারিদের স্বাবলম্বী করতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল প্রকল্প সব জেলায় সম্প্রসারণের নির্দেশ

১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছল বাংলাদেশের বিদেশী ঋণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২১৪ বার দেখা হয়েছে

১০০ বিলিয়ন (১০ হাজার কোটি) ডলারে পৌঁছেছে বাংলাদেশের বিদেশী ঋণ। এর মধ্যে সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশী ঋণের পরিমাণ ৭৯ বিলিয়ন ডলার। বাকি ২১ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ঋণ নিয়েছে দেশের বেসরকারি খাত। বিদেশী বিভিন্ন উৎস থেকে নেয়া ঋণের প্রায় ৮৪ শতাংশ দীর্ঘমেয়াদি। বাকি ১৬ শতাংশ বা ১৬ বিলিয়ন ডলারের ঋণ স্বল্পমেয়াদি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হালনাগাদকৃত বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশী ঋণের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, দেশের মোট বিদেশী ঋণের প্রায় ৭০ শতাংশই নেয়া হয়েছে গত ১০ বছরে। ২০১৫-১৬ অর্থবছর শেষেও বিদেশী উৎস থেকে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মোট ঋণ স্থিতি ছিল ৪১ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৩৪ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার ছিল দীর্ঘমেয়াদি ঋণ। বাকি ৬ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ ছিল স্বল্পমেয়াদি। ওই সময় বিদেশী ঋণ ছিল দেশের মোট জিডিপির ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এর পর থেকে বিদেশী ঋণ ক্রমাগত বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছর শেষে বিদেশী ঋণের স্থিতি দাঁড়ায় ৪৫ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলারে। ২০১৭-১৮ অর্থবছর শেষে এ ঋণের স্থিতি ৫৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে বিদেশী ঋণের স্থিতি দাঁড়ায় ৬২ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে।

বিদেশী ঋণ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ২০১৮ সালের পর। ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বিদেশী ঋণের স্থিতি ৬৮ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকে। ২০২০-২১ অর্থবছরে এ প্রবৃদ্ধি ১৯ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। ওই অর্থবছর শেষে বিদেশী ঋণের স্থিতি দাঁড়ায় ৮১ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলারে। ২০২১-২২ অর্থবছরে বিদেশী ঋণের প্রবৃদ্ধি হয় ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থবছর শেষে এ ঋণের স্থিতি ৯৫ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে সুদহার বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ থেকে বিদেশী অনেক প্রতিষ্ঠান স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রত্যাহার করে নেয়। এতে বিদেশী ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধিও কমে যায়। ২০২২-২৩ অর্থবছর শেষে বিদেশী ঋণের স্থিতি ৯৮ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক শেষে তথা সেপ্টেম্বরে এসে বিদেশী ঋণের স্থিতি ১০০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026