1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মোবাইলে যেভাবে দেখবেন সিঙ্গাপুর-বাংলাদেশের খেলা মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রীর মৃত্যুতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শোক নেত্রকোনায় প্রথমবারের মতো বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত কম্বোডিয়ান গ্যাংয়ের ‘টিকিট ফাঁদ’, সাবেক কর্মকর্তার ৩৪ লাখ টাকা গায়েব সাংবাদিক গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে একমত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুণী শিক্ষক সম্মাননা বাড়ছে ১২ থেকে ১০০ জনে : মাহদী আমিন শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন কবে, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে এইডিস মশার লার্ভা জরিপ শুরু প্রাথমিকে এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়া ৮১৭ জনের ‘ভেরিফিকেশন’ হচ্ছে: মন্ত্রী সেবার মান না বাড়ালে বাস কোম্পানির রুট বাতিল: সড়কমন্ত্রী

অ্যালার্জি হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ২১৫ বার দেখা হয়েছে

ডা. জাহিদ দেওয়ান শামীম

অ্যালার্জি হওয়ার কারণ ও প্রতিকার
অ্যালার্জি হলে শরীরের মাস্ট সেলগুলো থেকে বেশি পরিমাণে রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ হয় যা অ্যালার্জির মত উপসর্গ সৃষ্টি করে। মাস্ট সেল শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাপনার অংশ। এ সেলগুলো সারা শরীরে পাওয়া যায়, বিশেষ করে- অস্থি মজ্জা, ত্বক, খাদ্য, শ্বাস ও রক্তনালিগুলোর চারপাশে। ওষুধ, খাদ্য, আবহাওয়ার পরিবর্তন (খুব শীত বা গরম), পরিবেশ দুষণ এবং পোকা-মাকড়ের কামড়সহ অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে এলে শরীরে চুলকানি, শ্লেষ্মা এবং প্রদাহসহ অ্যালার্জির লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দেয়।

 

* উপসর্গ যা মৃদু থেকে প্রাণঘাতী পর্যন্ত হতে পারে

ত্বকে চুলকানি, হাইপারমিয়া, ছত্রাক সংক্রমণ, ঘাম, ফুসকুড়ি, চোখে চুলকানি, জ্বালা-পোড়া ভাব, লালচোখ, নাকে চুলকানি, হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাকবন্ধ, মুখ ও গলায় চুলকানি, জিহ্বা বা ঠোঁট ফুলে যাওয়া, গলা ফুলে যাওয়া, কাঁশি, শ্বাস নিতে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট, নিম্ন রক্তচাপ, দ্রুত হার্টবিট, পেট ও অন্ত্রে ক্র্যাম্প, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, গ্যাস, মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, ক্লান্তি, গুরুতর ক্ষেত্রে অ্যানাফিল্যাকটিক শক হতে পারে। এ অবস্থায় জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
* উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসা

অ্যান্টিহিস্টামিন, হিস্টাসিন, বেনাড্রিল, সেট্রিজিন, লোরাটিডিন টাইপ-১ হিস্টামিন রিসেপ্টর ব্লকার এবং টাইপ-২ হিস্টামিন রিসেপ্টর ব্লকার হচ্ছে রেনিটিডিন এবং ফ্যামোটিডিন, মন্টিলুকাস্ট ও জাফিরলুকাস্ট, অ্যাসপিরিন, কর্টিকোস্টেরয়েড ও মালিজুমাব। অ্যানাফিল্যাকটিক শক হলে অ্যাড্রেনালিন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়।

* হিস্টামিন বেশি থাকা খাবারের তালিকা

অ্যালকোহল, বিয়ার, হার্ড পনির, সামুদ্রিকমাছ, চিংড়িমাছ, ঝিনুক, শাক, সসেজ, বেগুন, ইলিশ মাছ, গরুর মাংস ইত্যাদি।

* হিস্টামিন কম থাকা খাবারের তালিকা

দুগ্ধ (সোয়া ও কোকোনাট মিল্ক), গম, রাইস, ডাল, আপেল, পীচসহ কিছু ফল, অ্যাসপারাগাস এবং ব্রকলিসহ কিছু সবজি এবং অন্যান্য খাদ্য। যাদের আবহাওয়ার পরিবর্তন বা পরিবেশ দুষণে অ্যালার্জি হয়, তাদেরকে আবহাওয়ার পরিবর্তন ও পরিবেশ দুষণের বিষয়টা লক্ষ রেখে চলতে হবে। প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে ও অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ খেতে হবে।

লেখক : সিনিয়র সায়েন্টিস্ট, নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026