1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ ও কড়া নজরদারি চকবাজারে হাজী আবুল বাশার সুপার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, হতাহত নেই কর নথি অডিটের নামে প্রতারণা থেকে করদাতাদের সতর্ক থাকার আহ্বান এনবিআরের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার তাগিদ গভর্নরের কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা, সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৮৫৮ মামলা, রেকার ও ডাম্পিং ৮১৬ গাড়ির প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে প্রযুক্তি ও বাজেট বাড়ানোর ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফকিরহাটে জাতীয় দলের গোলকিপার জিয়ার সঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কুশল বিনিময় শৃঙ্খলার স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছর ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ পাচ্ছে পিজিআর: প্রধানমন্ত্রী

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকা জমানোয় রেকর্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৮ জুন, ২০২২
  • ২৫৮ বার দেখা হয়েছে

আগের বছরের চেয়ে সুইস ব্যাংকে রেকর্ড পরিমাণ আমানত বেড়েছে বাংলাদেশিদের। মাত্র ১২ মাসে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ জমা করেছেন তারা। সব মিলিয়ে সুইস ব্যাংকগুলোতে এখন বাংলাদেশিদের টাকার পরিমাণ ৮ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক-এসএনবি বৃহস্পতিবার ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড-২০২২’ শিরোনামে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদন থেকে বাংলাদেশিদের জমানো অর্থের সর্বশেষ তথ্য পাওয়া গেছে।

দেশে যখন টাকা পাচার ঠেকানোর তুমুল আলোচনা, তখন নজিরবিহীন গতিতে সুইস ব্যাংকে টাকা জমিয়েছেন বাংলাদেশিরা। সারা বিশ্বের ধনীদের অর্থ গোপনে গচ্ছিত রাখার জন্য বহুদিনের খ্যাতি সুইজারল্যান্ডের। কঠোরভাবে গ্রাহকদের নাম-পরিচয় গোপন রাখে সুইস ব্যাংকগুলো। যে কারণে প্রচলিত বিশ্বাস, অবৈধ আয় আর কর ফাঁকি দিয়ে টাকা জমা রাখা হয় সুইস ব্যাংকে।

নির্দিষ্ট গ্রাহকের তথ্য না দিলেও এক দশক ধরে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে, সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের আমানত দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ, প্রতি ফ্রাঁ ৯৫ টাকা করে ধরলেও দেশি মুদ্রায় যা ৮ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। ঠিক এক বছর আগে, এই টাকার অঙ্ক ছিল ৫৬ কোটি ২৯ লাখ ফ্রাঁ বা ৫ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা।

বিজ্ঞাপন

অর্থাৎ এক বছরেই সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে ২ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা।
এসএনবি’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি ৩০ লাখ সুইস ফ্রাঁ। ২০১৭ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ ছিল ৬৬ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ, ২০১৮ সালের শেষে এই অর্থের পরিমাণ কমে হয় ৬২ কোটি সুইস ফ্রাঁ। ২০১৯ সালে এসে দাঁড়ায় ৬০ কোটি ৩০ লাখ ফ্রাঁতে।

দেশটির ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের টাকার পরিমাণ বলা হলেও পাচার সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। এমনকি আমানত হিসাবে কার কতো অর্থ আছে, তা-ও জানা যায়নি।
সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, যদি কোনো বাংলাদেশি তার নাগরিকত্ব গোপন করে অর্থ জমা রেখে থাকেন, তবে ওই টাকা এই হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। গচ্ছিত রাখা স্বর্ণ বা মূল্যবান সামগ্রীর আর্থিক মূল্যমানও হিসাব করা হয়নি এই প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে এ পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যাচ্ছে, তাতে ২০২১ সালেই বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বেশি আমানত ছিল সুইস ব্যাংকে। ২০০২ সালে আমানত ছিল মাত্র ৩ কোটি ১০ লাখ ফ্রাঁ, দুই দশকে তা বেড়েছে প্রায় ৩০ গুণ। বৃদ্ধির হারও সবচেয়ে বেশি ছিল ২০২১ সালে। অবশ্য মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি’র হিসাবে, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে থাকে ৭১ হাজার কোটি টাকা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সুইজারল্যান্ডে গোপনীয়তা কমতে থাকায় অনেক ধনী এখন অবৈধ টাকা জমা রাখার জন্য ঝুঁকছেন লুক্সেমবার্গ, কেম্যান আইল্যান্ড, বৃটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড কিংবা বারমুডা’র মতো ট্যাক্স হ্যাভেনের দিকে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026