1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজস্ব নিয়ে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষায় মুখস্থনির্ভরতা কমিয়ে আনন্দময় ও খেলাভিত্তিক পাঠদান অন্তর্ভুক্তির তাগিদ জাতীয় সংসদ ভবনে পবিত্র কালেমা ও মূলনীতি সংযোজন পিএসসির চেয়ারম্যান পদ থেকে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমের পদত্যাগ ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন, দেশে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৭ নায়ক ফারুক: মুক্তিযুদ্ধ থেকে রুপালি পর্দা ও রাজনীতির বর্ণাঢ্য কর্মজীবন এসএসসির ফল চ্যালেঞ্জে রেকর্ড ১৩ লাখ আবেদন, খাতা মূল্যায়নে আসছে নতুন নীতিমালা চট্টগ্রামে নারী চালক ও সহকারীদের পরিচালনায় চালু হলো বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ গল টেস্টে বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে চোট, হাসপাতালে দিনেশ চান্ডিমাল মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে সিডনির আদালতে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত ডেভিড ওয়ার্নার

ইসির সংলাপে অংশ নেবে না বিএনপি

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২২ মে, ২০২২
  • ১৭২ বার দেখা হয়েছে

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে সংলাপে ডাকা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তবে সিইসির এ আহ্বানকে গুরুত্ব দিচ্ছে না বিএনপি।

তারা বলছে, এ সংলাপে যাবে না তারা। তাদের প্রধান দাবি- নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আগে নির্বাচনী কোনো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যোগ দেবে না তারা। জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে আমরা গ্রহণ করিনি। আমাদের প্রধান দাবি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার। আর নির্বাচন কমিশন এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কেউ নয়। এ কমিশন কী করল না করল এ নিয়ে আমাদের কিছুই আসে-যায় না।’ জানা যায়, শুক্রবার সাভার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সিইসি বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে আলাপ-আলোচনায় বসার কথা জানান। বিএনপির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দলটির নীতিগত অবস্থান তারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরকার বা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না। আনুষ্ঠানিক ডাক এলেও তারা তাতে সাড়া দেবে না। আলোচনা হবে শুধু নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয় এটাই তাদের মূল দাবি। তারা বলছেন, সিইসি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এখন যে সংলাপের কথা বলেছেন, কিংবা আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিরপেক্ষ করার বিষয়ে যে কঠোরতার আভাস দিচ্ছেন, এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। এটি মূলত ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কৌশলের অংশ। নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে সমাধানে না আসা পর্যন্ত ইসির সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে এটাই শেষ কথা। এরপর নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে, তারাই ঠিক করবে নির্বাচন কীভাবে হবে। এটাই হচ্ছে দলীয় অবস্থান। এ অবস্থান ধরেই এবার তারা ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ডাকা সংলাপে অংশ নেয়নি। এটাকে ভিত্তি ধরেই বিএনপি রাজপথে সরকারবিরোধী একটি বৃহত্তর ঐক্য গড়ার চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এ কমিশন সংলাপের আহ্বান করলেই কি আর না করলেই বা কী? বিএনপি এ বিষয়ে দুই পয়সার দামও দেয় না। তিনি বলেন, ‘যখন এ নির্বাচন কমিশন তৈরি করা হয়, আমরা প্রথম থেকেই এর সঙ্গে কিছুতেই সম্পৃক্ত ছিলাম না। আমাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত আমরা এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাব না। এ সরকার পদত্যাগ করবে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে, সেই সরকারের অধীনে ছাড়া আমরা নির্বাচনে যাব না।’

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026