1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন, দেশে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৭ নায়ক ফারুক: মুক্তিযুদ্ধ থেকে রুপালি পর্দা ও রাজনীতির বর্ণাঢ্য কর্মজীবন এসএসসির ফল চ্যালেঞ্জে রেকর্ড ১৩ লাখ আবেদন, খাতা মূল্যায়নে আসছে নতুন নীতিমালা চট্টগ্রামে নারী চালক ও সহকারীদের পরিচালনায় চালু হলো বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ গল টেস্টে বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে চোট, হাসপাতালে দিনেশ চান্ডিমাল মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে সিডনির আদালতে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত ডেভিড ওয়ার্নার হাইকোর্টে বিশেষ পদক্ষেপে ১২ দিনে ৬২ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে ১,৭০২ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক আটক সময়ক্ষেপণ রোধে ফুটবলের নতুন নিয়মের মুখে নেইমার: কোচের ব্যর্থতায় মাঠ ছাড়তে হলো অধিনায়ককে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্ট: প্রথম দিনের সব টিকিট বিক্রি, আগ্রহের কেন্দ্রে ম্যাকেই

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন, দেশে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৭

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে
শিক্ষা ডেস্ক
ঠাকুরগাঁওয়ে ‘ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ নামে নতুন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রশাসনিক আদেশ জারি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পূর্ব নারগুন এলাকায় তাদের সামগ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই নতুন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদনের মধ্য দিয়ে দেশে সরকার অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১১৭টিতে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জারি করা আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সকল শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে সাময়িক অনুমতি প্রদান করা হলো। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মুহম্মদ শহীদ উজ জামানকে চিঠি দিয়ে অনুমোদনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিচালনার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে মোট ৩১টি নির্দিষ্ট শর্ত নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, অনুমোদনের প্রাথমিক মেয়াদ হবে সাত বছর। এই সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির অন্তত ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব কিংবা ভাড়া করা অবকাঠামো থাকতে হবে। একাডেমিক কাঠামোর ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যূনতম তিনটি অনুষদ এবং এসব অনুষদের অধীনে অন্তত ছয়টি বিভাগ থাকতে হবে। এ ছাড়া যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ তহবিলের অনুকূলে সংরক্ষিত হিসেবে কমপক্ষে দেড় কোটি টাকা স্থায়ী আমানত হিসেবে জমা রাখার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণে এই শর্তাবলি কঠোরভাবে তদারকি করা হবে।
প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মুহম্মদ শহীদ উজ জামান জানান, প্রতিষ্ঠানটি কেবল গতানুগতিক ডিগ্রি প্রদানের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচালিত হবে না। এটিকে আধুনিক গবেষণা, দক্ষ মানবসম্পদ ও তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির একটি সমন্বিত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রাতিষ্ঠানিক দর্শন নির্ধারিত হয়েছে ‘শিক্ষা থেকে দক্ষতা, দক্ষতা থেকে উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবন থেকে কর্মসংস্থান’ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ পাবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে ১৯৯২ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণয়নের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অনুমোদন দেওয়া শুরু হয়। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে উচ্চশিক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রান্তিক জেলাগুলোতে উচ্চশিক্ষার প্রসার ও বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে সরকারের ধারাবাহিক নীতির অংশ হিসেবে এই অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা খাতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ইতিপূর্বে ঠাকুরগাঁওয়ে ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি নতুন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছিল সরকার।
নতুন এই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চালুর ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য রাজধানী বা বড় শহরগুলোর ওপর নির্ভরতা কিছুটা হলেও কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। একই সঙ্গে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কর্মমুখী শিক্ষার বিস্তার স্থানীয় আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতোই নতুন প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রেও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ এবং পূর্ণাঙ্গ গবেষণাগার ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বিষয়গুলো নিশ্চিত করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026