1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কৃষকদের জন্য ধান ও পাট বীজসহ সার বিতরণ উদ্বোধন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি মাইকিংয়ের জেরে বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ, অস্বীকার ইউএনওর গণমাধ্যমকর্মীদের নির্যাতনের তালিকা তৈরির উদ্যোগ: তথ্যমন্ত্রী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের অগ্রাধিকার, তেলের দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত লক্ষ্মীপুরে ১২.৬ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল কিউবা সরকার হোলি উইকে হাজারেরও বেশি বন্দি মুক্তি দিয়েছে হায়দরাবাদে কবরস্থানে লুকানো ৪১৪টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ, ১০ জন আটক

অভাবের তাড়নায় ১০ হাজার টাকায় সন্তান বিক্রি করলেন বাবা-মা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১৪৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

অভাবে পড়ে ১৮ দিনের মেয়ে শিশুকে বিক্রি করে দেন এক বাবা। প্রত্যাশা ছিল, মেয়েকে বিক্রি করে দিলে বেশ কিছু নগদ টাকাও পাওয়া যাবে আর মেয়েটাও ভালো থাকবে। কিন্তু যে পরিমাণ টাকা পাওয়ার কথা ছিল, এক প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে সেই আশা গুড়ে বালি হয়ে গেছে তার। প্রতারক চক্রটি তাদের সন্তান বিক্রির সিংহভাগ টাকা নিয়ে গেছে। একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে ওই শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার রাতে নেছারাবাদ থানা পুলিশের একটি দল ওই দম্পতিকে খুঁজে বের করে ঢাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর গতকাল শুক্রবার শিশুটিকে তার মা–বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার দুর্গাকাঠি গ্রামে। দরিদ্র ওই বাবার নাম পরিমল ব্যাপারী (৫৫)।

পরিমল ব্যাপারী বলেন, তার কোনো জায়গা-জমি নেই। অন্যের ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাস করেন। ঘটক হিসেবে সামান্য কিছু আয় হয়। মানুষের কাছে হাত পেতে যা পান, তা দিয়েই সংসার চলে।

কিছু দিন আগে তার স্ত্রী একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন। কদিন পর উপজেলার দুর্গাকাঠি গ্রামের বিজন হালদার ও রনজিত কুমার তার কাছে আসেন। তারা বলেন, মেয়েটিকে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে দত্তক দিলে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেবেন। মেয়েটিও সেখানে ভালো থাকবে। অভাবের কারণে তিনি শিশুটিকে দত্তক দিতে রাজি হন।

পরিমলের স্ত্রী কাজল ব্যাপারী বলেন, তাদের কাছে ঢাকা থেকে প্রাইভেট কারে করে একটি বড়লোক পরিবার যায়। তারা বিজনের কাছে টাকা দেন। এরপর তার বাচ্চাটি নিয়ে যান। বিজন তাদের শুধু ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন। এরপর থেকে বিজনকে তারা আর খুঁজে পাননি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিজন হালদার দাবি করেন, দরিদ্র পরিমলের মেয়ের ‘ভবিষ্যতের কথা ভেবে’ ধনাঢ্য নিঃসন্তান এক দম্পতির কাছে দত্তকের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি। তবে টাকা লেনদেনের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে ফোন কেটে দেন তিনি।

এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি মো. আবির মোহাম্মাদ হোসেন জানান, শিশুটিকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে শিশুটিকে বিক্রির কথা তিনি শুনেননি।

দত্তক নেওয়া পরিবার বলেছে, তাদের কাছে দত্তক দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে শিশুটি মা–বাবার কাছে রয়েছে। রোববার ওই মেয়ে সন্তানসহ তার মা–বাবাকে আদালতে তোলা হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026