1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমাল বাজুস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দেশের সেরা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের ডিএমপির নতুন ভারপ্রাপ্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বিশ্বকাপে বাবা-ছেলের উত্তরাধিকার: ২৭ জুটির বিরল ইতিহাস ১৬ বছর পর ফের বিশ্বমঞ্চে নিউজিল্যান্ড, ক্রিস উডের নেতৃত্বে শক্তিশালী দল ঘোষণা কান চলচ্চিত্র উৎসবে আলিয়া ভাট: আন্তর্জাতিক সাফল্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নেতিবাচকতা কার্যক্রম সীমিত করছে এয়ার ইন্ডিয়া: ঢাকা-মুম্বাইসহ একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট স্থগিত ডিসেম্বরের মধ্যে ময়মনসিংহে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ও অবকাঠামো উন্নয়নের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

১০০ কোটির মাইলফলকে কৃষিপণ্যের রপ্তানি আয়

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১
  • ৫৮২ বার দেখা হয়েছে

করোনার প্রভাবে ইউরোপে বেড়ে গেছে বাইসাইকেলের চাহিদা। আবার পিছিয়ে পড়া জুতার রপ্তানির চিত্রও নতুন করে আশা জাগাচ্ছে। কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিও দিন দিন বাড়ছে। এসব খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, কিছু প্রতিবন্ধকতা দূর করা গেলে এসব খাত আরও ভালো করবে। রপ্তানিতে একক পণ্যনির্ভরতা কমাতে হলে দরকার সরকারি নীতিসহায়তা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে প্রতিবেদন করেছেন ফখরুল ইসলাম ও শুভংকর কর্মকার

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২১, ১১: ৩৪
অ+
অ-
১০০ কোটির মাইলফলকে কৃষিপণ্যের রপ্তানি আয়
করোনা মহামারির মধ্যেই এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের মাইলফলকে পৌঁছে গেছে কৃষিপণ্য। বিদায়ী অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ১০২ কোটি ৮১ লাখ ডলারের কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের হিস্যাই বেশি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুারোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, ১০ বছর আগেও কৃষিপণ্যের রপ্তানি আয় ছিল মাত্র ৪০ কোটি ডলার। চার বছর ধরে খাতটির রপ্তানি আয় বাড়ছে। অবশ্য করোনার কারণে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ খাতের রপ্তানি ৫ শতাংশ কমেছিল। সর্বশেষ ২০২০-২১ অর্থবছরে খাতটির রপ্তানি আয় ১৯ শতাংশ বেড়েছে। যদিও পুরো বছরটিই করোনা মহামারির মধ্যেই কেটেছে।

কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের মধ্যে বেশি রপ্তানি হয় রুটি, বিস্কুট ও চানাচুর–জাতীয় শুকনা খাবার, ভোজ্যতেল ও সমজাতীয় পণ্য, ফলের রস, বিভিন্ন ধরনের মসলা, পানীয় এবং জ্যাম-জেলির মতো বিভিন্ন সুগার কনফেকশনারি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বিস্কুট, রুটি–জাতীয় শুকনা খাবার রপ্তানি করে বিদায়ী অর্থবছরে দেশীয় কোম্পানিগুলো ২৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছে, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৪৬ শতাংশ বেশি। তার বাইরে চা, শাকসবজি ও ফলমূলও রপ্তানি হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026