1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইউটিউবে শতকোটি ভিউয়ের মাইলফলক স্পর্শ করলেন অভিনেতা জোভান রংপুরে আরএমপির বিশেষ অভিযান: এক মাসে গ্রেপ্তার ৪৪২, বিপুল মাদক উদ্ধার লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ১২, হুমকির মুখে যুদ্ধবিরতি চুক্তি এসি মিলানের কোচ মাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রিকে বরখাস্ত পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঈদ উল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে না ‘নাকফুলের কাব্য’ আবারও মিউজিক ভিডিওর মডেল হলেন সাদিয়া ইসলাম মৌ ঈদুল আজহায় সুনির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: র‍্যাব মহাপরিচালক আলবার্টা বিচ্ছিন্নতার উদ্যোগ বিপজ্জনক, ব্রেক্সিটের মতো পরিণতি হতে পারে: মার্ক কার্নি রাজশাহী মহানগরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৫ জন গ্রেফতার

‘হাজার টাকার ১০০ জাল নোটের দাম ১২-১৫ হাজার টাকা’

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১
  • ২৬০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকআবদুর রহিম শেখ ও ফাতেমা বেগম স্বামী স্ত্রী। তারা গড়ে তুলেছেন জাল টাকার কারখানা। সেই কারখানায় ল্যাপটপ, কালার প্রিন্টার, আঠা ও আইকা, বিভিন্ন ধরনের রং, জাল টাকা তৈরির জন্য বিপুল পরিমাণ কাগজ, নিরাপত্তা সুতার বান্ডেল, লেমিনেটিং মেশিন, কাটার, বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের লগো সম্পন্ন বিশেষ কাগজ জমা করেছিলেন। যা দিয়ে তারা কোরবানির ঈদের আগে কোটি জাল টাকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু কোটি টাকা বানানোর আগেই ধরা পড়ে গেছেন।

তাদের দু’জনসহ পাঁচজনকে আজ সোমবার দুপুরে ডিসি ডিবি মশিউর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের একাধিক টিম গুলশানের বাড্ডা থানাধীন নুরের চালা সাঈদ নগরের একটি সাততলা বাড়ির ষষ্ঠ তলায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হলেন গার্মেন্ট ব্যবসায়ী হেলাল খান, আনোয়ার হোসেন ও ইসরাফিল আমিন। কারখানাটি থেকে ১০০০ টাকা ও ৫০০ টাকা মূল্যমানের প্রায় ৪৩ লাখ তৈরিকৃত জাল টাকা ও প্রচুর পরিমাণে জাল টাকা তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ফাতেমা বেগম ২০১৯ সালে হাতিরঝিল এলাকার একটি বাসায় জাল টাকার তৈরি করার সময় অপর সহযোগীসহ হাতে নাতে ধরা পড়লেও তার স্বামী রহিম পালিয়ে গিয়েছিলেন। গ্রেপ্তারকৃত অন্যরাও জাল টাকা, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত।

ডিসি মশিউর রহমান কালের কণ্ঠকে জানান, গ্রেতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা খুচরা এবং পাইকারি বিক্রি করার পাশাপাশি গত তিন বছর ধরে ঈদসহ অন্যান্য উৎসবের আগে আগে জাল টাকা তৈরির কাজে নিয়োজিত থেকে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি জাল টাকা বাজারে ছেড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। তাদের স্বামী স্ত্রীকে অর্থ দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা করছে বাল্যবন্ধু হেলাল খান। হেলাল খান এক সময় গার্মেন্টের ব্যবসা করলেও ইয়াবার নেশা এবং ইয়াবার ব্যবসা করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে লোকসানের শিকার হয়ে গার্মেন্ট ব্যবসা ছেড়ে দেন। পরে তিনি কক্সবাজার-টেকনাফ থেকে ইয়াবা ব্যবসার পাশাপাশি রহিম এবং ফাতিমাকে দিয়ে জাল টাকা তৈরির ব্যবসাও করাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, জাল ১০০টি কাগজের নোটের এক বান্ডেল জাল টাকা তৈরি করতে ৭/৮ হাজার টাকা খরচ হয়। সেই টাকা প্রতি বান্ডেল পাইকারি ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকায় চক্রের সদস্যদের কাছে বিক্রি করে। পাইকাররা আবার এগুলোকে প্রান্তিক পর্যায়ের বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতাদের কাছে প্রতি বান্ডেল ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। যা রুট পর্যায়ের জাল টাকার কারবারিরা কখনো কখনো গহনা, কখনো কাপড়চোপড়, ভোগ্য পণ্য এমনকি পশুর হাটে বিক্রি করে ছড়িয়ে দিয়ে থাকে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।

kalerkantho

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026